আবারো পকেটে চাপ বাড়তে চলেছে আমজনতার, ১ জানুয়ারি থেকে বাড়তে চলেছে একাধিক জিনিসপত্রের দাম

আগামী বছরের প্রথম দিন থেকেই আরো একবার মধ্যবিত্তদের পকেটে টান পড়তে পারে। এমনিতেই বাজারে বাড়তে থাকা দামের জন্য জেরবার হয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষ, এরমধ্যে ক্রমবর্ধমান করের মুখোমুখি হতে হবে সাধারণ মানুষকে আগামী বছর থেকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক মুদ্রাস্ফীতি আপনাকে এবং আমাকে কতটা অসুবিধায় ফেলতে পারে। জামা কাপড় থেকে জুতো, অনলাইনে খাবার অর্ডার করা সবকিছুই এবার ব্যয়বহুল হতে চলেছে।

নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই রেডিমেড পোশাকের ওপর জিএসটির হার ৫% থেকে বেড়ে যাবে ১২ শতাংশ। এর ফলে খুচরো ব্যবসার উপর খুব খারাপ প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রেডিমেট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা এই অতিরিক্ত কর বৃদ্ধির বিরোধিতা করতে শুরু করেছেন তবে সরকার নিজের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে মনে করা হচ্ছে নতুন বছর থেকে পোশাক কিনতে গ্রাহকদের অনেক বেশি টাকা খসাতে হবে।

জিএসটির হার বৃদ্ধির খবরটা কোনদিনই আনন্দের নয় সাধারণ মানুষের কাছে। এখনো পর্যন্ত চামড়ার জিনিসপত্রে আপনি ৫ শতাংশ কর দিতেন, যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়াবে ১২ শতাংশতে। এই অতিরিক্ত শুল্ক কাঠামোর পরিবর্তন গত বছরের জুন মাসে করার কথা ছিল কিন্তু বর্তমান অবস্থার কথা চিন্তা করেই আরো কিছু মাস স্থগিত রাখা হয়েছিল এই শুল্ক কাঠামো পরিবর্তন।

শুধুমাত্র জামাকাপড় এবং জুতো না, আমরা বর্তমানে অনলাইনে খাবার অর্ডার করতে এতটাই অভ্যস্ত যে অনলাইন ছাড়া আমাদের গতি নেই। তবে ফুড ডেলিভারি অ্যাপ থেকে খাবার অর্ডার করলে আগামী বছর থেকে আপনাকে দিতে হবে কোম্পানিগুলিকে বাড়তি শুল্ক। অর্থাৎ নতুন বছর থেকে ফুড ডেলিভারি এত আপনাকে দিতে হবে পাঁচ শতাংশ জিএসটি। তাই আগামী বছর এই মূল্যবৃদ্ধি যে আরো একবার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষদের কাছে তা বলাই বাহুল্য।