কী কী কাগজ আপনার হাতে থাকতেই হবে তবেই পাবেন ‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্পের টাকা, জেনে নিন বিস্তারিত

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের সময় ‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হবার পরই জানিয়েছিলেন এই প্রকল্পের আওতায় তপশিলি ও আদিবাসী মহিলাদের প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে এবং জেনারেল ক্যাটাগরি মহিলাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবেন। মূলত মহিলাদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে এই প্রকল্পের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে গেলে মহিলাদের একটি নির্দিষ্ট ফরম ফিলাপ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে পরিবারে কোনো সরকারি চাকরিজীবী থাকা চলবে না। সেই সকল পরিবারের একজন মহিলা এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হতে পারবেন। আর এই প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার জন্য ১৬ ই আগস্ট থেকে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি চালু হতে চলেছে। সেখানেই ফলগুলি সংগ্রহ করা হবে। নির্বাচনের আগে অবশ্য ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচিতে সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছিল স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর উপর।

যার প্রভাব বিধানসভা নির্বাচনে ভোট বাক্স পেয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। এবার এই কর্মসূচির প্রধান বিষয় হল ‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্প। নবান্ন সূত্রে জানা গেছে ‘লক্ষীর ভান্ডার’ কে উদ্দেশ্য করে শুক্রবার নবান্ন থেকে সমস্ত জেলাশাসক দের ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে বৈঠক করেন মুখ্য সচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী। বৈঠকে জানানো হয় দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে সমস্ত প্রকল্প থাকলেও ‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্প কে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হওয়া মহিলাদের অবশ্যই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ,আধার কার্ড এবং অন্যান্য জাতিভুক্ত হলে সেই জাতির শংসাপত্র থাকতে হবে। তবে কোন মহিলা যদি না থাকে তাহলে সেই নথি দ্রুত তৈরি করে দিতে বলা হয়েছে।