স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলে ৩ বছর অন্তর করতে হবে এই কাজ, নাহলে

২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচন কার্যত দোরগোড়ায়৷ এই সময়  একের পর এক হেভিওয়েট নেতা দলবদল করে  যখন গেরুয়া শিবিরে যোগ দিচ্ছে, তখন কার্যত বিপর্যস্ত রাজ্যের শাসক শিবির, ঠিক তখনই দুটি বড় প্রকল্পের ঘোষণা করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘দুয়ারে সরকার’ আর ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পকে বিরোধীরা কটাক্ষ করলেও ভোট বাজারে তা মানুষের মন গলাতে  সাফল্যের মুখ দেখেছে তা অনস্বীকার্য। এবার ফের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প নিয়েই বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।

প্রতি তিন বছর অন্তর পুনর্নবীকরণ করা হবে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড, জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল ভবন থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে  তিনি বলেন, “আপনারা যখন দলবদল রং পাল্টানোর খবর বলেন, উন্নয়নের খবর তখন ধামাচাপা পড়ে যায়। অথচ এই খবরই সবার আগে আসার কথা”।

সেইসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়  বলেন, “আজকে যে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পেল আবার তিন বছর পর তিনি সেটা পুনর্নবীকরণ করতে পারবেন।”

তৈরি করা যাবে একাধিক UPI ID, Axis ব্যাঙ্কের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম PhonePe

ভোটের মুখে এই প্রকল্পকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন অনেকেই। কিন্তু এই নিয়ম যে মানতেই হবে তা শিক্ষামন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট, তিনি বলেন,  “স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে, সরকারি বেসরকারি জায়গায় দশ কোটি মানুষের কাছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসা ব্যবস্থা পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে কারণে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের বাজেটে আগামী অর্থবর্ষে দেড় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।”

পার্থ চ্যাটার্জি  জানিয়েছেন, এই প্রকল্প চলমান থাকবে। প্রতি বছরে দু’বার করে শিবির করা হবে। সম্প্রতি রাজ্যসভার সদস্যপদ ছেড়েছেন তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানিয়েছেন তৃণমূলের দুর্নীতিতে তাঁর দম বন্ধ হয়ে আসছে। এদিন সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করা কালীন পার্থ চট্টোপাধ্যায় দলত্যাগী নেতাকেও কটাক্ষ করে৷ পার্থ চট্টোপাধ্যায়  বলেন,  “এতদিন দম বন্ধ না হয়ে থাকল কি করে? এ তো কোনো সাঁতারুরাও পারে না।” সেইসাথে সংবাদমাধ্যমকে  উন্নয়নের খবরের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।