অমর হতে চেয়েছিলেন এই বিজ্ঞানী তারপর যা করলেন তা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না…

আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক মানুষজনকে দেখে থাকি যাদেরকে দেখে আমরা হয়তো মানসিকভাবে রোগী মনে করি। কিন্তু তাদের রয়েছে একটা সম্পূর্ণ আলাদা জগত। তারা সব সময় নিজেদেরকে পড়াশোনার মধ্যে ব্যস্ত রাখেন এবং সবসময় এটা চান যে, যাতে নুতন কিছু আবিস্কার করা যায়। আজ এই রকমই একজন মানুষের কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরবো যার কথা শোনার পর আপনারা হয়তো অনায়াসে বলে দেবেন এ কোন মানসিক রোগী কিন্তু আসলে তিনি হলেন একজন বিজ্ঞানী।এই বিজ্ঞানী বিজ্ঞানটা অন্য সকলের থেকে অনেকটাই বেশি বোঝেন। সেইজন্য তিনি নিজের শরীরে এমন কিছু প্রয়োগ করেছিলেন যার জন্য তিনি অমরত্ব ধারণ করেছেন।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কি এমন করেছিলেন সেই বিজ্ঞানী। যার জন্য উনি আজও বেঁচে রয়েছেন আমাদের মধ্যে।আনাতোলি ব্রোজকুক নাম এই বিজ্ঞানীর দীর্ঘদিন ধরে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আসছেন। তিনি এই সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে করতে হঠাৎ করে খোঁজ পেয়ে যান আফ্রিকার জঙ্গলে থাকা এক বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়ার। যারা দীর্ঘ পাঁচশো বছর ধরে জীবিত রয়েছে। সেটা জানার পরই এই বিজ্ঞানীর মনে প্রশ্ন জাগে কি করে এটা সম্ভব? সেই নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে উনি খোঁজ পান যে, এই সকল ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যার জন্য এরা বেঁচে রয়েছে।

তারপর তিনি সেই ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন পশু পাখি এবং গাছপালার উপর প্রয়োগ করে দেখতে চান যে সত্যি কি ব্যাকটেরিয়ার কোন অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে। তিনি প্রথমে সেই ব্যাকটেরিয়া প্রয়োগ করেন এক বিশেষ শ্রেণীর ইঁদুর এর মধ্যে। তারপর যেটা ঘটে সেটা জানার পর আপনার সত্যিই অবাক হয়ে যাবেন। তিনি দেখেন যে, যে ইঁদুরের ওপর সেই ব্যাকটেরিয়া প্রয়োগ করা হয়ে সেই ইঁদুর টি অন্য সকল ইঁদুরের থেকে অনেক দিন বেশি বাঁচছে এবং তার বাচ্চা দেওয়ার ক্ষমতা আরও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। তারপর তিনি একটা আপেল গাছের মধ্যে সেটার প্রয়োগ করেন এবং দেখেন যে, সে আপেল গাছটি আরো বেশি দিন পর্যন্ত ফল দিতে পারছে এবং সেই ফলগুলি অত্যন্ত পুষ্টিকর হচ্ছে। এর ফলে তিনি বুঝতে পারেন যে, এই ব্যাকটেরিয়ার সত্যি কোন অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে।

এরপর তিনি ঠিক করে নেই এর প্রয়োগ কোনো মানুষের ওপর করার জন্য। তাই তিনি এই প্রয়োগ করার জন্য নিজেকে বেছে নেন এবং নিজের মধ্যে এই প্রয়োগ টি করে ফেলেন। এবং তিনি দেখেন যে নিজেকে আরও অনেক বেশি সুস্থ এবং সবল মনে হচ্ছে আগের থেকে। এবং তার মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বেড়ে গিয়েছে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার এটা যে তিনি তার সম বয়সী লোকদের থেকে একটু বেশি কাজ করতে পারছেন এবং সে কাজগুলো অত্যন্ত দ্রুততার সাথে করতে পারছেন।
#অগ্নিপুত্র

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close