দেশজুড়ে তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা! অবশ্যই বাড়িতে রাখুন এই ১০ টি মূল্যবান গ্যাজেট

প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণের হার। আরো একবার পুরনো ছবি দেখতে চলেছি আমরা। বেশিরভাগ রোগীর মধ্যে মৃদু উপসর্গ দেখা দিলে আমাদের এখন থেকেই সতর্ক হতে হবে না হলে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের কঠিন ফল ভোগ করতে হতে পারে। করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগেই বাড়িতে রেখে দিতে হবে কিছু উপযোগী গ্যাজেট, যেগুলি সারা অদূর ভবিষ্যতে আপনি হয়ে যাবেন একেবারে অচল। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার আগেই কোন কোন গ্যাজেট আপনি আপনার কাছে রেখে দেবেন।

পালস অক্সিমিটার: সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র এটি। মহামারীতে আক্রান্ত হলে আক্রান্ত মানুষের অক্সিজেনের ভাগ কমে যায় খুব তাড়াতাড়ি। দোকানে গিয়ে তাই এখনই কিনে নিন পালস অক্সিমিটার। তবে কেনার আগে দেখবেন এটি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা।

রক্তচাপ মাপার যন্ত্র: একটি ভালো ডিজিটাল ব্লাড প্রেসার মাপার যন্ত্র অবশ্যই রেখে দেবেন আপনার কাছে। বাড়িতে অসুস্থ মানুষ থাকলে এখন ডাক্তারের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই ব্লাড প্রেসার মাপার যন্ত্র কিনে রাখেন অনেকে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে অসুস্থ মানুষ না থাকলেও এই একটি যন্ত্র আপনি অবশ্যই কিনে রাখবেন বাড়িতে।


কন্টাক্টলে্স থার্মোমিটার: এই যন্ত্রের মাধ্যমে কোন ব্যক্তির থেকে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে আপনি তার শরীরের তাপমাত্রা মেপে ফেলতে পারবেন। এর ফলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। স্থানীয় সূত্রের দোকানে এই থার্মোমিটার আপনি পেয়ে যাবেন।

অক্সিজেন টেস্ট কিট: এটি কোন গ্যাজেট না হলেও এটি বাড়িতে অবশ্যই রেখে যেতে পারেন আপনি। এটির বেশি দাম নয়। ৩০০ টাকার মধ্যে এই টেস্ট কিট আপনি পেয়ে যাবেন। অনলাইনে অথবা স্থানীয় দোকান থেকে এটি কিনতে পারবেন আপনি।

গ্লুকোমিটার: বাড়িতে ডায়াবেটিস রোগী থাকলে সুগারের পরিমাণ মাপার জন্য অবশ্যই এই যন্ত্রটি আমি রেখে দিতে পারেন। ৩ হাজার টাকার মধ্যে এই যন্ত্র আপনি পেয়ে যাবেন।

ইউভি স্টেরিলাইজার:স্মার্টফোন অথবা অন্যান্য ডিভাইস থেকে ভাইরাসকে সরিয়ে রাখার জন্য এই যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এই যন্ত্রটি ১০০০ টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন আপনি। আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির মাধ্যমে যন্ত্র বিভিন্ন বস্তুর ওপর থেকে ভাইরাস সরিয়ে দেয়।

অক্সিজেন কন্সেনট্রেটর: কোন রোগীর শরীরে অতিরিক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে এই যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়। স্থানীয় ওষুধের দোকানে এটি আপনি পেয়ে যাবেন। এই যন্ত্রের দাম বেশি হওয়ার কারণে কেনার আগে কোম্পানির নাম এবং ওয়ারেন্টি ভালো করে দেখে নেবেন।


সেন্সরসহ ফিটনেস ব্যান্ড: রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপার জন্য এটি অনেকে ব্যবহার করে থাকেন। এই সেন্সরের মাধ্যমে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপার সম্ভব হয়।

নেবুলাইজার: শ্বাসকষ্টের সময় নেবুলাইজার ব্যবহার করলে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যান রোগী। তাই বাড়িতে একটি নেবুলাইজার রাখতে পারেন। যে কোন ওষুধের দোকানে এই যন্ত্র পেয়ে যাবেন দেড় হাজার টাকার মধ্যে।