সারাবছর যেকোনো মরসুমে করতে পারবেন আনারস চাষ, হাতে আসবে মোটা টাকা

ডাক্তাররা প্রায়ই পেট সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের আনারস খাওয়ার পরামর্শ দেন। বাজারে এর দামও বেশ ভালো। দেখা গেছে, কৃষকদের মধ্যে আনারস চাষের প্রবণতা এখন খুব একটা নেই, তবে চাষি ভাইয়েরা আনারস চাষ করে ভালো লাভ করছেন। আনারস চাষের সবচেয়ে ভালো বিষয় হল এটি বছরে কয়েকবার যে কোনো মৌসুমে চাষ করা যায়।

অন্যান্য ফলের তুলনায় কৃষকদেরও এর থেকে লাভের সুযোগ বেশি। অনেক রাজ্যে আনারস ১২ মাস ধরে চাষ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি উষ্ণ মৌসুমের ফসল হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে বছরের যেকোনো সময় চাষ করা যায়। আনারস বপন থেকে ফল পাকা পর্যন্ত প্রায় ১৮ থেকে ২০ মাস সময় লাগে।

ফল পাকলে এর রং লাল হলুদ হতে শুরু করে। এরপর শুরু হয় এর ফসল তোলার প্রক্রিয়া। আনারস গাছ ক্যাকটাস প্রজাতির। এর রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনাও খুবই সহজ। এই গাছে অন্যান্য গাছের তুলনায় কম সেচের প্রয়োজন হয়। জমিতে যাতে আগাছা না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হয় এবং গাছের জন্য উপযুক্ত ছায়ার ব্যবস্থা করতে হয়। আনারস গাছে একবারই ফল ধরে।

আনারস প্রচুর পরিমাণে একবারই পাওয়া যায়। এরপর দ্বিতীয় বারের জন্য আবার ফসল রোপণ করতে হয়। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, আনারস খাওয়ার কারণে অনেক রোগে নিরাময় হওয়ায় এর চাহিদা রয়েছে বাজারে। বাজারে এ ফল বিক্রি হয় প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা প্রতি কেজিতে। এমতাবস্থায়, কৃষক যদি প্রতি হেক্টরে ৩০ টন আনারস উৎপাদন করেন, তাহলে লাখ লাখ টাকা লাভ করতে পারবেন।

মৌসুমি ফল আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল।’