মাত্র 15,000 টাকা ইনভেসমেন্ট করে করতে পারেন এই ব্যবসা, তিন মাসেই লাভ করবেন তিন লক্ষ টাকা

এখন করোনার মুহূর্তে বহু কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ছেন। তাই এখন বহু মানুষের কাজের খুব প্রয়োজন। চাকরি ছাড়াও অনেকেই ব্যবসার পথ বেছে নিতে পারেন। ন্যাচারাল প্রোডাক্ট ও মেডিসিনের চাহিদা প্রায় সারা বছরই থাকে। তাই মেডিসিন প্ল্যান্টের ব্যবসা করে লাভবান হওয়া যেতে পারে।

মেডিসিন প্ল্যান্টের চাষের জন্য বেশি বড় জমির প্রয়োজন হয় না। আবার আপনার যে জমি থাকতে হবে এমন কোন শর্ত নেই। আপনি চুক্তির ভিত্তিতে কারো জমি নিয়ে এই চাষাবাদ করতে পারবেন। বর্তমানকালে বেশ কয়েকটি সংস্থা কন্ট্র্যাক্টে মেডিশিনাল প্ল্যান্টের চাষ করাচ্ছে ৷ আপনি যদি ওই সংস্থাগুলির থেকে কন্ট্রাক্টে চাষ করাতে চান সেই জন্য আপনাকে মাত্র কয়েক হাজার টাকা ইনভেস্ট করতে হবে। আর এই কয়েক হাজার টাকা ইনভেস্ট করে আপনি আয় করবেন লাখ টাকা ৷

বেশকিছু হার্বাল প্ল্যান্ট যেমন তুলসি, মুলেঠি, অ্যালোভেরা কম সময়ে তৈরি হয়ে যায় ৷ এই গাছগুলো ছোট ছোট গামলায় বড় হয়ে যায় ৷ এই ধরনের চাষ করার জন্য মাত্র কয়েক হাজার টাকা খরচ করতে হয় ৷ এই চাষ করার জন্য আপনি বিভিন্ন ওষুধের সংস্থার সাথে ফসল কেনার ব্যাপারে কন্ট্র্যাক্ট করে নিতে পারবেন ৷ এরফলে চাষ করে আপনার ফসল নষ্ট হবে না। পতঞ্জলি, ডাবর, বৈদ্যনাথ-হ একাধিক আয়ুর্বেদিক ওষুধের সংস্থা তুলসী থেকে নানা ঔষধ বানায়। আপনি চাইলে এই কোম্পানিগুলোর সাথে কন্ট্যাক্ট করে নিতে পারেন। বাজারে তুলসির বিজ ও তেলের প্রচুর চাহিদা ৷

সেই প্রাচীনকাল থেকেই আমরা তুলসি গাছের গুনাগুন সম্পর্কে অবগত হয়ে আসছি। এটির মধ্যে প্রচুর মেডিসিনাল গুণ রয়েছে। ক্যানসার ও অন্যান্য কঠিন রোগের চিকিৎসায় তুলসি ব্যবহার করা হয়৷ ১ হেক্টর জমিতে তুলসি গাছ লাগানোর জন্য আপনাকে ব্যায় করতে হবে ১৫ হাজার টাকা৷ ৩ মাস পর এই ফসল প্রায় ৩ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়৷

এই চাষ করার জন্য সঠিক প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়। লখনউ-এ অবস্থিত সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিসিনাল অ্যান্ড অ্যারোমেটিক প্ল্যান্ট এই ধরনের গাছের চাষের জন্য ট্রেনিং দিয়ে থাকে ৷