চীনের কীর্তিতে স্তম্বিত গোটা বিশ্বের মুসলিম সমাজ, মসজিদ ভেঙ্গে বানানো হল সুলভ শৌচালয়…

উইঘুরে মুসলমানদের প্রতি চীনের বর্বরতার কথা আজ বিশ্বের কারও অজানা নয়। এবার আরো একবার স্বেচ্ছাচার ও হিংসার মুখ তুলে ধরল চীন। এর আগে চীনের বিরুদ্ধে উইঘুরে মুসলমানদের প্রতি অত্যাচারের কথা তারপর আবার গোটা বিশ্ব জুড়ে করোনা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। শুধু তাই নয় তারপর আবার জিনপিংয়ের নেতৃত্বে বহু জায়গায় মসজিদও ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল এরকম রিপোর্টও প্রকাশ্যে এসেছিল।

তবে এখন যে খবরটি প্রকাশ্যে আসছে সেটি তাজ্জব করে দেওয়ার মতো এবং চীনের শাসন ব্যবস্থার উপর নতুন অভিযোগ প্রকাশ এসেছে যেখানে জানতে পারা গিয়েছে চীন সেই ভেঙ্গে ফেলা মসজিদ গুলোতে এখন বহু পাবলিক শৌচালয় নির্মাণ করার কাজ শুরু করে দিয়েছে যাদের মধ্যে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে একটি মসজিদে পাবলিক শৌচালয় তৈরি করে দিয়েছে চীন। যে মসজিদটিকে ভেঙে বর্তমানে শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে সেই মসজিদটির নাম ছিল টোকুল। যেটি চীনের সরকার 2018 সালে ভেঙ্গে ফেলেছিল। তবে এই ঘটনার জেরে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে অনেকেই মুখর হয়েছেন।

https://twitter.com/NoraVerystrong/status/1294977759253471232?s=19

এই নিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে Uyghur neighborhood committe প্রধান বলেন, “কমরেডরা মসজিদ ধ্বংস করে সেখানে শৌচালয় বানালো। এখনও জনতার উদ্দেশ্যে তা উন্মুক্ত হয়নি। কিন্তু গ্রামে কী আর জায়গা ছিল না? নাকি গ্রামের মানুষের গণ শৌচালয় খুবই জরুরি? উত্তরে Uyghur neighborhood committee chief বলছেন, এই গ্রামে প্রত্যেকের বাড়িতে শৌচালয় রয়েছে। উইঘুরদের জেনে বুঝে আহত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে চীনা প্রশাসনের তরফ থেকে।

 

প্রসঙ্গত বলে রাখি, 2016 সাল থেকে 2019 সালের মধ্যে চীন প্রায় 15,000 টি মসজিদ ধ্বংস করেছে। তবে শুধু মসজিদ ভাঙায় নয়, গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন ইসলামিক মিনার, কবরখানা নষ্ট করেছে চীন প্রশাসন।তাছাড়া জিনপিংয়ের সরকারের আমলে চীনে বহু মুসলিমকে জোরপূর্বক ক্যাম্পে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং অনেক পরিবারকে অসহায় অবস্থায় ফেলে রেখেছে।