ফের উত্তরপ্রদেশে, যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে পাঁজর ভেঙ্গে খুন গণধর্ষিতাকে আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডের কথা

আবারো এই ঘটনা মনে করিয়ে দিচ্ছে দিল্লির নির্ভায়া কান্ডের কথা, এর আগে চলন্ত বাসের মধ্যে নির্ভায়ার ওপর অত্যাচার চালানো হয়েছিল, ঠিক তেমনই পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন উত্তর প্রদেশের এক মধ্যবয়স্ক মহিলা গণধর্ষণ করার পর চালানো হল তার ওপর অমানবিক অত্যাচার। জানা গিয়েছে চলন্ত গাড়ির মধ্যেই মধ্য বয়স্ক মহিলার সাথে গণধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের পর নির্যাতিতার যৌনাঙ্গের ঢুকিয়ে দেওয়া হয় রড, ভেঙ্গে দেওয়া হয় পায়ের হাড় ও পাঁজর। দীর্ঘক্ষণ ধরে রক্তপাত বন্ধ না হওয়ার ফলে মৃত্যু হয় সেই মহিলার।

 

উত্তরপ্রদেশের বদায়ুঁ জেলার উঘৈতি থানা এলাকায় এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে রবিবার দিন। স্থানীয় সূত্রে জানতে পারা গিয়েছে মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন এই নির্যাতিতা তারপর বাড়ি ফেরেনি তিনি, অবশেষে মধ্যরাতে রাস্তার পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে। নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে কিন্তু রাতে মৃত্যু ঘটে তার।

মৃতার আত্মীয়রা জানান স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করার পরও কোনো পুলিশ অধিকারী এ বিষয়ে গুরুত্ব দেয়নি। এমন কী কোন পুলিশ আধিকারিক আসেননি অভিযোগ দায়ের করতে। 18 ঘন্টা পর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়, মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আশায় স্তব্ধ হয়ে যান সকলেই। রিপোর্টে জানা যায় ধর্ষণের পর ওই মহিলার যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা যে কারণে রক্তক্ষরণ আর বন্ধ করা যায়নি।

যার জেরেই এই মহিলার মৃত্যু ঘটেছে। এমনকি ভারী বস্তুর দিয়ে নির্যাতিতার বুকে আঘাত করা হয় যার জেরে ভেঙ্গে যায় পাঁজরের হাড়, ভেঙ্গে দেওয়া হয় পা।
পুলিশ সূত্রে খবর মহিলার এরকম অবস্থা দেখে প্রথমে চন্দৌসিতে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যান অভিযুক্তরা কিন্তু পরে ওই এলাকায় নির্যাতিতাকে গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশ শেষ পর্যন্ত গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে এবং অভিযুক্ত মহন্ত বাবা সত্যনারায়ণ, ভেদরাম এবং চালক জসপালের খোঁজ শুরু করেছে৷সেপ্টেম্বরের হাথরস ঘটনা তিন মাস কাটতে না কাটতেই আবারও এই ঘটনা প্রশ্নের মুখে ফেলেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার কে। এমনকি প্রশ্নের মুখে পড়েছে সে রাজ্যের পুলিশের ভূমিকাও।