মাত্র ৪০ হাজার টাকা দিয়ে আজই শুরু করুন এই ব্যবসা, ৬ মাসে আয় হবে ১০ লক্ষ টাকা

গত বছরে করোনা নামক মহামারি গ্রাস করেছিল আমাদের সকলকে। পরিযায়ী শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, বিপদে পড়েছিলেন সকলেই। বিশেষ করে বিপদে পড়েছিলেন চাকুরীজীবী মানুষেরা। হঠাৎ করে চাকরি চলে যাওয়াতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল বহু মধ্যবিত্ত মানুষকে। এই পরিস্থিতিতে আজকে আপনার এবং আমার মত বহু মানুষ ব্যবসার দিকে মনোনিবেশ করার কথা চিন্তা ভাবনা করছে। ব্যবসা এমন একটি জিনিস যেখানে আপনাকে চাকরি হারানোর ভয় পেতে হবে না।

আজ আপনাকে এমন একটি ব্যবসার কথা বলব যে ব্যবসা করলে আপনি প্রথম ছয় মাসের মধ্যেই উপার্জন করতে পারবেন ১০ লক্ষ টাকা। আজ আপনাকে বলব রসুন চাষের কথা। আমরা সকলেই জানি রসুনের চাহিদা সারা বছর সারা দেশে থাকে। এমন কোন রান্না নেই যা রসুন ছাড়া হয়না। রসুন প্রত্যেকটা রান্নার স্বাদ এনে দিতে পারে। খাবার সুস্বাদু করার পাশাপাশি বিভিন্ন ঔষধি গুণ থাকে রসুনের, তাই রান্নাঘরে রসুনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ থেকেই যায়।

এই রসুন চাষ করলে আপনি কিছুসময়ের মধ্যেই হতে পারেন বড়লোক। বর্ষাকাল শেষ হবার পর রসুনের চাষ শুরু হয়ে যায়। হিসেব অনুযায়ী আপনি অক্টোবর অথবা নভেম্বর মাস নাগাদ রসুনের চাষ করতে পারেন। ১৫ সেন্টিমিটার দূরত্বে সারি সারি করে রসুনের কোয়া লাগানো হয়। কিন্তু আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যাতে জমিতে জল বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে, না হলে রসুনের রং খারাপ হয়ে যাবে। বীজ বপন করার মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই নতুন রসুন তৈরি হয়ে যায়।

এবার দেখে নেয়া যাক রসুন চাষ করলে আপনি কিভাবে এবং কত টাকা উপার্জন করতে পারবেন। ১ একর জমিতে প্রায় ৫০ কুইন্টাল রসুন চাষ করা যাবে। প্রতি কুইন্টাল আপনি পেতে পারেন ১০,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা অবধি। প্রতি একরে রসুন চাষের জন্য আপনার খরচ হবে ৪০ হাজার টাকা। এই হিসেব অনুযায়ী আপনি এক একর জমিতে রসুন চাষ করে প্রায় উপার্জন করতে পারেন ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা।

উল্লেখ্য, শুধুমাত্র উচ্চ রক্তচাপ, পেটের সমস্যা, হজমের সমস্যা,ক্যান্সার, বাতের সমস্যা এবং রক্তের সমস্যার ক্ষেত্রে রসুন ভীষণভাবে উপকারী তা নয়, অ্যান্টি- ব্যাকটেরিয়া এবং  anti-cancer গুণ থাকার কারণে বিভিন্ন অসুখে রসুনের ব্যবহার অপরিহার্য। এছাড়া রসুন ব্যবহার করে বিভিন্ন পাউডার, পেস্ট এবং চিপস তৈরি করা হয়।