Skip to content

কেন আম্বানি পরিবার অ্যান্টিলিয়ার ২৭ তলায় থাকেন? এর পিছনে রয়েছে এই রহস্য

আমাদের ভারতবর্ষের নতুন প্রজন্ম এখন ব্যবসা করতে আগ্রহী হয়ে উঠলেও আজ থেকে কিছু বছর আগেও ছবিটা কিন্তু একেবারে অন্যরকম ছিল। আজ থেকে কিছু বছর আগেও বাঙালি, ব্যবসা থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখত অনেক দূরে। হাতেগোনা কয়েকজন ব্যবসায়ীদের মধ্যে তখন ছিলেন রতন টাটা, ধীরুভাই আম্বানির মত ব্যবসায়ীরা।

আজ ভারতীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিশ্বের বাজারে যে ব্যবসায়ীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন তারা হলেন গৌতম আদানি এবং মুকেশ আম্বানি। তবে গৌতম আদানি নিজের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সেই ভাবে প্রকাশ্যে না আসলেও কিন্তু এই দিক দিয়ে গৌতম আদানিকে পেছনে ফেলে দেন মুকেশ আম্বানি। পরিবারের যে কোন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে মুকেশ আম্বানির প্রত্যেকটি পদক্ষেপ সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহল থাকি, খোদ মুকেশ আম্বানির জন্যই।

মুম্বাইয়ের অ্যান্টিলিয়া নামক একটি ২৭ তলা বিলাসবহুল আবাসনে পরিবারের সকলের সঙ্গে থাকেন মুকেশ আম্বানি। বিশ্বের দ্বিতীয় দামি আবাসন হল এটি। প্রথম স্থানে রয়েছে লন্ডনের বাকিংহাম প্যালেস। এই ২৭ তলা বিলাসবহুল আবাসনের প্রথম ছয় তলা ব্যবহার করা হয় পার্কিংয়ের জন্য। বাকি কয়েক তলা সিনেমা হল, গেস্ট রুম এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয়। মুকেশ আম্বানি এবং তার সম্পূর্ণ পরিবার থাকেন ২৭ তলায়।

কিন্তু সম্পূর্ণ আবাসনের মধ্যে কেন ২৭ তলা নিজেদের জন্য বেছে নিয়েছেন মুকেশ আম্বানি এবং তার পরিবার? জানেন এর পেছনে রয়েছে কি সেই গল্প? মুকেশ আম্বানি যখন তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করেন, কোন ফ্লোর বেছে নিতে চান তিনি থাকার জন্য তখন নীতা আম্বানি বলেন, তিনি টপ ফ্লোরে থাকতে চান। এর পেছনে যে কারণ তিনি জানান, সেটি হলো সূর্যের আলো। সূর্যের আলো যাতে সর্বপ্রথম তাদের ঘরে এসে পৌঁছয় তার জন্য তিনি নিজেদের বসবাসের জন্য টপ ফ্লোর বেছে নিয়েছিলেন।


এই ২৭ তলা আবাসনের সর্বোচ্চ তলায় মুকেশ আম্বানির পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ ছাড়া আর কারোর আসার অনুমতি নেই। বাকি আবাসনে থাকেন ৩০০ জন চাকর এবং ড্রাইভার। মুকেশ আম্বানির পরিবারের কর্মরত ব্যক্তিদের পরিবারের দায়িত্ব নেন মুকেশ আম্বানি আর তাই মুকেশ আম্বানির কর্মরত ব্যক্তিদের ছেলেমেয়েরাও বিদেশে পড়াশোনা করার সুযোগ পান। বলাই বাহুল্য মুকেশ আম্বানি এবং তার সম্পূর্ণ পরিবার একটি রাজকীয় এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রা অতিবাহিত করেন এবং পাশাপাশি নিজেদের বাড়িতে কর্মরত ব্যক্তিদের দিকে নজর দিতে কুণ্ঠা বোধ করেন না তারা।