Skip to content

বলিতারকাদের মাথায় চিন্তার ভাঁজ! সিনেমা হলে এবার ভাগ বসাতে আসছে একাধিক দক্ষিণী ছবির হিন্দি ভার্শন

বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী সিনেমাগুলি প্রতিমুহূর্তে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েই চলেছে। আজ দক্ষিনী সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা সারা বিশ্বজুড়ে। অস্কারের জন্য মনোনীত হওয়া দুটি ছবিও কিন্তু দক্ষিণ ইন্ডাস্ট্রির। একের পর এক ব্লকবাস্টার ছবি উপহার দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে সাউথ ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। বলাই যেতে পারে, বলিউডে দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রভাব অদূর ভবিষ্যতে বেশ ভালই পড়তে চলেছে।

তবে এই রমরমা খুব বেশি দিন আগে কিন্তু শুরু হয়নি। হালে বেশ কয়েকটি সিনেমা প্রেক্ষাপটে হিন্দি ভাষায় মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রতি আলাদা ভালোবাসা তৈরি হয় মানুষের। ২০১৫ সালে বাহুবলী সিনেমাটি তামিল তেলেগু ভাষার পাশাপাশি মুক্তি পেয়েছিল হিন্দি ভাষায়। এরপর বিগ বাজেটের ছবি কেজিএফ জনপ্রিয়তা লাভ করে ব্যাপক আকারে।

এই তালিকায় রয়েছে রোবট, কাওয়ালী, জয় ভিম এবং পুষ্পার মত সিনেমা। আগামী দিনে এই ছবির পরিমাণ আরও বাড়তে চলেছে বলেই মতামত বিশেষজ্ঞদের। কিছুদিনের মধ্যেই আসতে চলেছে ‘রঙ্গস্থলম’, থালাপতি বিজয়ের ‘মার্শাল’, ‘মাস্টার’, ‘মনগরম’ এর মত একাধিক ছবি।

কিন্তু এত কিছুর মধ্যে যে বলিউডের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে তা হয়তো অনেকেই টের পাচ্ছে না। যেমন ধরা যাক, গতবছর পুষ্পা মুক্তি পাবার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক আকারে ক্ষতিগ্রস্ত হলো কবির খানের পরিচালিত সিনেমা ৮৩। সূর্যবংশী ভালো ব্যবসা করতে পারলেও রণবীরর সিং অভিনীত ৮৩ কিন্তু মুখ থুবরে পড়ে বক্স অফিসে। কিন্তু এমনটা তো হবার কথা নয়, যেখানে ভারতবর্ষের ইমোশন জড়িয়ে ছিল সেই সিনেমায় কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করে ফেলবে তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু মানুষ গা ভাসিয়েছে ট্রেন্ডের সাথে। আর সেখানেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলিউড ইন্ডাস্ট্রি।

এই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আরেকটি কারণ আছে। কিছু বছর পর্যন্ত দক্ষিণী ছবির স্বত্ব কিনে সেটা হিন্দিতে রিমেক করে রিলিজ করা হতো। দক্ষিণী ছবিতে বলিউড স্টার নিয়ে তৈরি সিনেমা মুহূর্তের মধ্যে হিট হয়ে যেত। কিন্তু দক্ষিণী ছবির নির্মাতারা সেটা আর করতে চাইছেন না।

কিছুদিন আগেই বিজয় সেতুপতির ছবি হিন্দি রিমেক বানাতে সিনেমার স্বত্ব কিনতে চেয়েছিলেন সালমান খান। কিন্তু নির্মাতারা তাতে রাজি হননি।প্রসঙ্গত, তামিল সিনেমার এইভাবে হিন্দি ভাষায় মুক্তি পাওয়া নিঃসন্দেহে বলিউড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষে ভীষণভাবে দুঃসময় আনতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।