এর আগেও দুটি বিশ্ব মহামারী আটকে দিয়েছে ভারত, এবার করোনা মোকাবেলায় গোটা বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারত-বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO

গোটা বিশ্ব জুড়ে এখন একটাই আতঙ্ক করোনা ভাইরাস। আর এই করোনাভাইরাস গোটা বিশ্ব জুড়ে একরকম ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এই ভাইরাসের জেরে এখন প্রতিদিনই প্রায় প্রাণ হারাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ, এক সরকারি তথ্য অনুযায়ী জানতে পারা গেছে এই মুহূর্তে এই ভাইরাসের দরুন বিশ্বজুড়ে সংক্রমিত লোকের সংখ্যা হল চার লাখের কাছাকাছি।আর এই ভাইরাসের দরুন মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে 16 হাজার এরও বেশী।

তবে অন্যান্য দেশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতে যে এই করোনা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান তা অনেকখানি কম এবং স্বস্তিদায়ক। তাছাড়া ভারতের এরকম এক সীমিত পরিকাঠামোর নিয়েও ভারতবর্ষের সম্মানিত লড়াইকে, অন্যান্য দেশের মতো এতোখানি বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ে যেতে পারেনি। তাই বলা যেতে পারে এরকম এক মহামারী আতঙ্কের মধ্য ভারতের যেন এই এক সাফল্য। ভারতবাসীর এরকম এক প্রচেষ্টায় প্রশংসা করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার WHO ও,তাদের দাবি মহামারি রুখে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ভারতের কাছে এবং এই মহামারী রুখতে ভারতবাসীই গোটা বিশ্বকে দিশা দেখাবে আগামীদিনে।

তাছাড়া এর আগেও ভারত একাধিক বার মহামারী আটকে দিয়েছে বলে দাবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।এই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন শীর্ষ অধিকারীক জানান এর আগে ভারতে যখন গুটি বসন্ত, পোলিওর ছড়িয়েছিল সেটিকে মহামারী পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই আটকে দিয়েছিল ভারত।আর পুরনো সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আবারো একবার এই করোনাভাইরাসের মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে ভারত। তিনি বলেন ভারতহল জন বহুল দেশ এখানে COVID-19 রোগীর আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে তবে ভারত এর আগেও দুটি মহামারীর সম্মুখীন হয়েছে যার মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে এই দেশ।

তবে এখনো পর্যন্ত এই যে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ তা কখন কমবে তার উত্তর নেই তাদের কাছেও তবে ভারত যে এই মুহূর্তে অনেক বড় ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে তাও তিনি এই দিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন। তার দাবি করোনা কবে রোখা যাবে সে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর আপাতত দেওয়া খুবই কঠিন তবে ভারতের মতো দেশে গোটা বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে অতীতেও আর আগামী দিনেও আশা করা যাচ্ছে তাই আবারো করবে। করোনা মোকাবেলাতে ভারতের প্রশংসা করার পাশাপাশি ভারতের করোনা পরীক্ষাতে যে কীটের অভাব রয়েছে সেটিও প্রকাশ করে তারা,এবং জানান আগামী দিনের পরিস্থিতির কথা ভেবে  ভারতে করোনা পরীক্ষা করার জন্য আরও ল্যাবরটারির সংখ্যা বাড়ানো উচিত। ভারতের সরকারি যে পরিসংখ্যান রয়েছে তার জেরে জানতে পারা গেছে ভারতের সপ্তাহে পাঁচ হাজার জনের মতো করোনো পরীক্ষা করার পরিকাঠামোর রয়েছে। আর 22 শে মার্চ পর্যন্ত দেশের প্রায় 16 হাজার জনের মধ্য পরীক্ষা করা হয়েছিল,যদিও সরকারের তরফ থেকে কিছু বেসরকারি হাসপাতালকে করোনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়েছে তবে এখনো পর্যন্ত তারাও এর উপযুক্ত পরিকাঠামোর তৈরি করতে সক্ষম হয়ে ওঠেনি।

Related Articles

Close