কে করেছিল সেই ফোন যার এক ফোনেই মোদির ১২ জন মন্ত্রী ইস্তফা দিয়েছিলেন, প্রকাশ্যে এল তার নাম

বুধবার ক্যাবিনেট বিস্তারের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের একডজন মন্ত্রীকে ইস্তফা দিতে হয়েছে। সেই মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন রবিশঙ্কর প্রসাদ, প্রকাশ জাভড়েকর, ডক্টর হর্ষবর্ধন,রমেশ পক্রিয়াল ,সন্তোষ গাওয়ার, সদানন্দ গৌরে, দেবশ্রী চৌধুরী, বাবুল সুপ্রিয়, সঞ্জয় ধোতরে, রাও সাহেব পাতিল আর রতনলাল কটারিয়া। ক্যাবিনেটে বড়োসড়ো বদল এনে কিছু নতুন মুখকে জায়গা করে দিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে ইস্তফার পূর্বে পুরনো মন্ত্রীদের কাছে ফোন যায় আর তারপরেই ১২ জন মন্ত্রী ইস্তফা দেন।

সেই ফোন করেছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি জেপি নাড্ডা। তার এক ফোনেই ইস্তফা দিয়ে দেন ১২ জন হেভিওয়েট মন্ত্রীরা। জানা যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজের ক্যাবিনেট রদবদল করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হঠাৎই জেপি নাড্ডা নিজেই ফোনের সঙ্গে বসে পড়ে। প্রধানত কয়েকজন নতুন নেতাকে যুক্ত করা এবং কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব বাড়াতে চেয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী । পাশাপাশি কয়েকজন প্রবীণ নেতা কে ক্যাবিনেট থেকে অপসারণ করা হয় যার জন্য দরকার ছিল তাদের ইস্তফা আর এই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

তিনি নিজেই একটি করে ফোন করেন প্রত্যেক ১২ জন মন্ত্রী কে এবং ইস্তফা চান তাদের কাছ থেকে। ক্যাবিনেট বিস্তারের জন্য যদিও বুধবার সন্ধ্যে ৬টায় নির্ধারিত করা হয়েছিল। তার আগে যদিও পুরনো মন্ত্রীদের ইস্তফার দরকার ছিল। নতুন মন্ত্রীদের নাম ঘোষণার পূর্বেই জেপি নাড্ডা একে একে ১২ জন মন্ত্রীর কাছ থেকে ইস্তফা পত্র দিতে বলেন। এও নির্দেশ দেন, ইস্তফা পত্র যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাষ্ট্রপতি ভবনে পাঠিয়ে দিতে।

সবার আগে অবশ্য ফোন যায় জল সংসাধন মন্ত্রী রতনলাল কোরিয়ার কাছে। তারপর একে একে সকলকে ফোন করেন সর্বভারতীয় সভাপতি। তবে মন্ত্রীদের ইস্তফাপত্র রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ শপথগ্রহণের পূর্বেই স্বীকার করে নেন। এর আগের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার অবশ্য সামাজিক ন্যায় মন্ত্রী থাবরচন্দ্র গেহলটকে কর্নাটকের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করেছে মোদি সরকার।