বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাকে চাইছে‌ গোটা রাজ্যবাসী, বেরিয়ে এল জনমত সমীক্ষার ফলাফল

আর মাত্র কয়েকদিন পর বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হবে৷  ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তেজনার পারদ চড়ছে। পুরোদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি। এরইমধ্যে বাংলার মানুষের মন বুঝতে সমীক্ষা করা হয়েছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় সম্ভাব্য ফলাফল কী হতে পারে, সেই বিষয় জনমত কী বলছে  সমীক্ষায় সেই ইঙ্গিত দিয়েছে।

 

সমীক্ষা অনুযায়ী আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল পেতে পারে ১৫১টি আসন। বিজেপি ১১৭টি আসন পেতে পারে। বাম-কংগ্রেস জোট পেতে পারে ২৪টি জোট। বিজেপি ও তৃণমূলের ৫টি করে আসন বাড়তে বা কমতেও পারে।

২০১৬ সালের নির্বাচনে তৃণমূল পেয়েছিল ২১১টি আসন।সমীক্ষা বলছে,  রাজ্যে এখন শাসকদলের একধাক্কায় আসনসংখ্যা কমতে পারে ৬০টি। অন্যদিকে ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৩টি আসন। পরে বেশ কয়েকজন যোগ দিলেও  যদি প্রথমে বিজেপির টিকিটে জেতা ৩টি আসনের নিরিখে এই সমীক্ষার বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে বিজেপির আসন সংখ্যা বাড়তে পারে ১১৪টি।

২০১৬ সালে বাম ও কংগ্রেস জোট পেয়েছিল ৭৬টি আসন। কিন্তু সমীক্ষা অনুযায়ী ৫২টি আসন এবার কমতে পারে এই জোটের। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল এগিয়ে ছিল ১৬৪টি বিধানসভা আসনে। বিজেপি এগিয়ে ছিল ১২১টি এবং বাম ও কংগ্রেস এগিয়ে ছিল ৯টি বিধানসভায়।

Mamata Banerjee

সমীক্ষা অনুযায়ী, তৃণমূল পেতে পারে ৪১.০৯ শতাংশ ভোট। বিজেপি ৩৬.৬৪ শতাংশ ভোট আর বাম ও কংগ্রেস জোট পেতে পারে ১৭.১৪ শতাংশ ভোট। AIMIM পেতে পারে ০১.১৫ শতাংশ আর অন্যান্য পেতে পারে ০৩.৯৮ শতাংশ ভোট।

এখন বাড়িতে বসে খুব সহজেই করে নিন Voter ID এর সাথে Mobile Number লিঙ্ক, সহজ পদ্ধতি জানতে

সমীক্ষায় জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে পছন্দ  রাজ্যের ৩৮ শতাংশ মানুষের। দিলীপ ঘোষ ১৯ শতাংশ, শুভেন্দু অধিকারী ১০ শতাংশ,আর  মুকুল রায় ৩ শতাংশ মানুষের পছন্দ৷অন্যদিকে  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী  হিসাবে দেখতে চান ৪ শতাংশ মানুষ। অধীর চৌধুরীকে ৫ শতাংশ আর  সুজন চক্রবর্তীকে ৪ শতাংশ মানুষ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচন করেছেন।