দুর্বল শরীর, অ্যালার্জি থাকলে নেওয়া যাবে না ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন, জারি নির্দেশিকা

করোনা টীকা  নিতে আপত্তি করেছেন অনেক স্বাস্থ্যকর্মীই। এখনও অবধি ৫৮০ রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া গেছে। টিকা নেওয়ার পর  অসুস্থ হয়েছেন সাত জন, উত্তরপ্রদেশ ও কর্নাটকে মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এই সমস্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া টিকার জন্য নয়৷ ভারত বায়োটেকের BBV152 নামক এই ভ্যাকসিন  করোনাভাইরাসের নিষ্ক্রিয় স্ট্রেন থেকে তৈরি।

বায়োসেফটি লেভেল-৩ ল্যাবোরেটরির সুবিধা থাকায় ভারত বায়োটেকের বিজ্ঞানীরা সংক্রামক ভাইরাল স্ট্রেনের বিশেষ অংশ চিহ্নিত করে তাকে আলাদা করেছেন। এরপর সেই সংক্রামক স্ট্রেনকে বিজ্ঞানসম্মত উপায় পরিশোধিত  করে তাকে নিষ্ক্রিয় বা ইনঅ্যাকটিভ (Inactive) করেছেন । এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা আরও বাড়ানোর জন্য এর সঙ্গে অ্যাডজুভ্যান্ট (ইমিউনোলজিক্যাল এজেন্ট) যোগ করা হয়েছে যাতে টিকার ক্ষমতা বাড়তে পারে৷ তবে অনেক সময়েই এই অ্যাডজুভ্যান্টের কারণে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়, বিশেষত যাদের অ্যালার্জি আছে,  তাদের সাইড এফেক্টস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

ভারত বায়োটেক জানিয়েছে কোভ্যাক্সিন টিকা কাদের জন্য উপকার হবে না

শরীরে কোনও জটিল রোগ রয়েছে এবং তার চিকিৎসাও চলছে। সে জন্য নিয়মিত ওষুধ খেতে হয় যাঁদের তাঁরা কোভ্যাক্সিন টিকা নিতে পারবেন না।

“যদি মাননীয় কে হারাতে না পারি, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব”- মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

গায়ে জ্বর থাকলে কোভ্যাক্সিনের ডোজ একদমই নয়।
যে কোনও ধরনের অ্যালার্জি থাকলে বা পরিবারে অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে আগে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া  এই টিকা উপযোগী নয়।

ব্লিডিং ডিসঅর্ডার থাকলে টিকা নেওয়া যাবে না।
গর্ভবতী মহিলা বা যাঁরা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন, তাঁরা টিকা নিতে পারবেন না।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারেই কম হলে টিকা না নেওয়াই ভাল।
এছাড়া বাকি সবাই টিকা নিতে পারবেন৷ টিকার ইঞ্জেকশন দেওয়ার আগে শারীরিক কোনও সমস্যা আছে কিনা জিজ্ঞাসা করা হবে। অথবা হেলথ সার্টিফিকেট দেখিয়ে তবেই টিকার ডোজ নেওয়া যাবে।