রেশনকার্ড পোর্টেবিলিটি কী? আর কীভাবে মিলবে এর সুবিধা, না জানলে অবশ্যই…

রেশন কার্ড পোর্টেবিলিটি ঠিক সেই ভাবে কাজ করে যেভাবে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে যেমন মোবাইল নম্বর পোর্ট করলে আপনার নম্বরের কোন বদল হয় না এবং আপনি এটিকে দেশের যেকোন প্রান্তে ব্যবহার করতে পারেন ঠিক একইভাবে রেশন কার্ড পোর্টেবিলিটি করলে আপনার রেশন কার্ডের বদল করা হবে না অর্থাৎ এক রাজ্য থেকে যদি আপনি অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত করেন তাহলে এর জন্য নতুন কার্ড তৈরি করতে হবে না আপনাকে। এক্ষেত্রে পুরনো রেশন কার্ড ব্যবহার করেই আপনি দেশের যে কোন রাজ্যে গিয়ে সরাসরি রেশন তুলতে পারবেন।

 

 

আর এই পোর্টেবিলিটি করানোর জন্য আপনাকে পিডিএস দোকানে ইলেক্ট্রনিকস পয়েন্ট অফ সেল ডিভাইস থেকে ভেরিফিকেশন করাতে হবে।আর এটি করানোর জন্য অবশ্যই রেশন এবং আধার কার্ড একসঙ্গে থাকা জরুরী রয়েছে,এক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন করানোর জন্য প্রয়োজন পড়বে আধার নম্বর এর। বলে রাখি এক দেশ এক রেশন কার্ড যোজনার দরুন 23 টি রাজ্যের রেশন কার্ড হোল্ডাররা এই সুবিধা পেয়ে যাবেন।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোন বাসিন্দা যদি উত্তরপ্রদেশের হয়ে থাকেন এবং তিনি কোন কার্য বসতো দিল্লী কিংবা মুম্বাই কিংবা বিহার গিয়ে থাকেন তাহলে তিনি সেখানকার রেশন দোকানে গিয়ে ও রেশন সংগ্রহ করতে পারবেন। অর্থাৎ তার কাছে যে রেশন কার্ড রয়েছে সেটি পরিবর্তন না করেই তিনি দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সরকারি রেশন দোকান থেকে রেশন তুলতে পারবেন। এর জন্য তৈরি করতে হবে না কোন নতুন রেশন কার্ডের পুরনো রেশন কার্ডকেই এক্ষেত্রে বৈধ হিসেবে ধরা হবে।

দেশের যেকোন প্রান্তের রেশন দোকান থেকে সরকার নির্ধারিত ভর্তুকিযুক্ত মূল্যে খাদ্যশস্য কিনতে পারবেন। কারণ তখন দেশের সমস্ত রেশন কার্ডের তথ্য একটি সার্ভারে জমা করা থাকবে। তবে এর পাশাপাশি একাধিক বার দেশের জনগণ যে ভুয়ো রেশন তোলার অভিযোগ তুলতো সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ এক্ষেত্রে দেশের সমস্ত রেশন কার্ডের তথ্য একটি সার্ভারে জমা করা থাকবে।