গত ১ বছর ধরে এই মহামারী পরিস্থিতিতে কী করেছেন? সমালোচকদের কড়া জবাব বলিউড “শাহেনশা”-র

আগে সারাক্ষণ সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় থাকতে দেখা যেত তাঁকে।  কিন্তু এখন তাঁকে আর সেই ভাবে পাওয়া যাচ্ছে না।  তিনি আর কেউ নয় বলিউডের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। নেট নাগরিকদের এই অভিযোগ ছিল অনেকদিনের।  এতদিন তার কোন উত্তর দেন নি  অমিতাভ বচ্চন।  তবে এইবার তিনি উত্তর দিলেন। দিল্লির শ্রী গুরু তে বাহাদুর কোভিড কেয়ার সেন্টারে দু’কোটি টাকা দান করেন।

এরপর তার গত একবছরের দান করার হিসাব সামনে আনলেন। সেই হিসেব বলছে গত বছর তিনি এবং তার পরিবার সর্বপ্রথম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন করোনায় বিপর্যস্ত দিনমজুরদের দিকে।  টানা একমাস দেশের 5000 শহরে ছড়িয়ে থাকা প্রায় 4 লক্ষ শ্রমিককে দুবেলা-দুমুঠো অন্নসংস্থান করে দিয়েছিলেন বিগ বি৷  প্রশাসন এবং চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের  দিয়েছেন ব্যক্তিগত তহবিল থেকে।

জনসেবা সংগঠন কে দান করেছেন।  পাশাপাশি বহু পরিযায়ী শ্রমিকদের  ঘরে ফেরার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন।  যাতায়াতের সুবিধার্থে একটি ট্রেনের বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন  তিনি।  যে ট্রেনে একসঙ্গে 2800 জন মানুষ যাতায়াত করতে পারবেন।  আচমকাই করোনা  মহামারীর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ট্রেনটি যে রাজ্যে যাচ্ছিল সেই রাজ্য সরকার সেই ট্রেন বন্ধ করে দেয়।  সঙ্গে সঙ্গে তিনি ট্রেন এর পরিবর্তে চারটি বেসরকারি বিমান ভাড়া করে দিয়েছিলেন।  যে বিমানে করে বিহার উত্তর প্রদেশ রাজস্থান এবং জম্মু-কাশ্মীরে নিজেদের বাড়ি ফিরে গিয়েছেন শ্রমিকেরা।

সুখবর! ভারতে নির্ধারিত হল স্পুটনিক’ ভি ভ্যাকসিন এর দাম, হায়দ্রাবাদের শুরু প্রথম দফার ভ্যাকসিনেশন

গতকাল রাজধানীর শিখ গুরুদুয়ারার সভাপতি মনজিন্দর সিং জানিয়েছেন,  অর্থের পাশাপাশি অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন।  300 শয্যা বিশিষ্ট সেন্টারে করোনা রোগীদের চিকিৎসা হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।  দুজন অনাথ শিশু দত্তক নিয়েছে বচ্চন পরিবার সংবাদমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।  যাদের মা বাবা মারা গেছেন করোনাতে৷

এক বছর ধরে দানের হিসেব দিতে গিয়ে প্রতিপদের লজ্জিত অমিতাভ বচ্চন।  তার আফসোস,  ছোট থেকে শিখেছি দান করে তা সকলের সঙ্গে প্রচার করতে নেই।  এতে যিনি দিচ্ছেন এবং যাকে দিচ্ছেন উভয়ই ছোট হয়ে যায়।  প্রবীণ অভিনেতার  দাবি,  সময় বদলেছে এখন সামান্য কিছু করলেই তা প্রচার করতে হবে।  না হলে সবাই ভাববেন কিছু না করে কেবল বড় বড় কথার চাষ চলছে।