কলকাতানতুন খবরবিশেষরাজ্য

30 শে জুন পর্যন্ত বাংলায় বাড়ানো হল লকডাউনের সময়সীমা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের..

করোনা সংক্রমণ রুখতে দীর্ঘমেয়াদি লকডাউন ঘোষণা করতে বাধ্য হয় কেন্দ্রীয় সরকার। আর এই লকডাউনের ফলে আমাদের দেশের আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একদিকে যেমন আর্থিক অবস্থা তলানিতে ঠেকেছে তেমনি এই লকডাউন এর ফলে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন পরিযায়ী শ্রমিক এবং গরীব মানুষেরা। তবে গত সপ্তাহ থেকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে প্রতিদিন রেকর্ড হারে বাড়ছে এই সংক্রমণের হার। আর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি জনজীবন স্বাভাবিক শুরু হওয়ার পর থেকেই বেড়েছে সংক্রমনের বৃদ্ধির হার।

আর আজকে একথা খুদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্বীকার করে নিলেন এবং তিনি জানালেন আগামী দিনে রাজ্যের করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাড়ানো হবে লকডাউনের মেয়াদকাল। যেমনটা আমরা জানি গোটা দেশজুড়ে শেষ হয়েছে চতুর্থ দফার লকডাউন আর তারপর গত 30 শে জুন থেকে শুরু করা হয়েছে পঞ্চম দফার লকডাউন যদিও এই রাজ্যের ক্ষেত্রে এই লকডাউনের সময়সীমা রাখা হয়েছিল 15 ই জুন পর্যন্ত। তবে জনজীবনকে স্বাভাবিক করতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেওয়া হয়েছিল ছাড়।

শুধু তাই নয় প্রায় দু’মাস পর চাকরিজীবীরা তাদের অফিসের মুখ দেখা শুরু করেছিল। তবে দেখা যায় আনলক ওয়ান শুরু হওয়ার পর থেকে হু হু করে প্রতিদিন দেশজুড়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। যার ফলে এটি স্বাভাবিক জনজীবনে একপ্রকার আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।অন্যদিকে এইভাবে রাজ্যে সংক্রমনের হার বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে বিরোধীরা রাজ্যের ঢিলেঢালা মনোভাবকেই দায়ী করেছেন। তবে আজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার লকডাউন এর মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন এবং জানালেন রাজ্যজুড়ে আগামী 30 শে জুন পর্যন্ত চালু থাকবে এই লকডাউন।

তার পাশাপাশি তিনি রাজ্যের মানুষকে একথা মনে করিয়ে দেন যে, গণপরিবহন ব্যবস্থা শুরু করা হয়েছে যার ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে যার ফলে পরবর্তীকালে সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে তাই এক্ষেত্রে মানুষকে আরো বেশী সচেতন হতে হবে, পাশাপাশি মেনে চলতে হবে একাধিক নিয়মাবলী। তবে এখানেই শেষ নয় এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন ধর্মীয় সভা, বিয়ে বাড়ি অথবা যে কোনো অনুষ্ঠানে এবার থেকে 10 জনের পরিবর্তে 25 জন পর্যন্ত জমায়েত করতে পারবেন তবে তার বেশি জমায়েত করা যাবে না।

এর পাশাপাশি যেসব জায়গাগুলিতে সাইকেলে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল সেই গুলিতে এবার ছাড় মিলবে। প্রসঙ্গত, যেমনটা আমরা জানি সোমবার থেকেই শর্তসাপেক্ষে রাজ্যের রেস্তরাঁ-শপিংমল খুলেছে। তাছাড়া অন্য দিনের তুলনায় বাস-অটোর সংখ্যাও রাস্তায় তুলনামূলক ভাবে বেশি। অন্যদিকে এরকম এক পরিস্থিতিতে জনজীবন স্বাভাবিক করার চেষ্টা ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্যবাসীর জন্যই, এমনটা মনে করছেন অনেকেই।

Related Articles

Back to top button