পরনে  সাদামাটা শাড়ি, ভাড়ার গাড়িতে চেপেই বিধানসভায় শপথ নিলেন চন্দনা!

রাজ্য বিধানসভায় নিজের দায়িত্ব ভার কাঁধে তুলে নিলেন৷ বিধানসভায়  দাঁড়িয়ে আরও একবার জনগণের আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে  কৃতজ্ঞতায় গলা বুজে আসে চন্দনার। বললেন, “আমার মতো একজন গরিব মানুষকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি, এটাই অনেক।”  হলুদ-লাল মাস্ক তার আড়ালেও যেন খুশির  আলো ফুটে ওঠে চন্দনার (Chandana Bauri) চোখে-মুখে।

বিধানসভায় শপথ নিতে যাবেন ! কিন্তু গাড়ি পাবেন  কোথায়? অবশেষে  দাদার ভাড়া করা গাড়িতেই  বাঁকুড়ার শালতোড়া (Saltora Assembly) থেকে ‘কলকাতা’ শহরে এলেন বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়ক (BJP MLA) চন্দনা বাউড়ি (Chandana Bauri)।

বিজেপির ‘দরিদ্রতম’ প্রার্থী তিনি৷ প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই বার বার শিরোনামে উঠে এসেছে চন্দনা বাউরির নাম।  প্রচারের শুরু থেকেই  সকলের নজর ছিল তার দিকে৷  দিন-মজুরের স্ত্রী, দুই সন্তানের মা চন্দনা বাউরি৷ প্রথম থেকেই  বিজেপি বা অন্য দলের আর পাঁচজন প্রার্থীর তুলনায় তার জীবন যাত্রা ছিল অন্যরকম। প্রচারে যেতেন পান্তা খেয়ে৷ তাই এত মানুষ তাকে ভরসা করেছেন, ভোট দিয়েছেন, এই আশীর্বাদ তার কাছে পরম প্রাপ্তি৷

করোনা মোকাবিলাতে দু’কোটি টাকার অনুদান বিরাট-অনুষ্কার, দিলেন ভিডিও বার্তাও

সুদূর বাঁকুড়া থেকে কলকাতায় আসতে অনেক খরচ৷  তাই তিনি  বলেন, “একবার কলকাতায় আসতে অনেক খরচ। আমি তাও এলাম। জনগণ আমায় জিতিয়ে এনেছে তাই আসতেই হবে। ” শালতোড়ার রাস্তা-ঘাট তৈরির  কাজ দিয়েই তিনি তার দায়িত্ব পালনের শুরুয়াত করতে চান।  ইতিমধ্যেই কাজের পরিকল্পনা নিয়ে হোম ওয়ার্ক শুরু করেছেন৷

এলাকার মানুষের জন্যে যত দ্রুত সম্ভব জলের সু-বন্দোবস্ত করতে চান৷বিধানসভায় আরও ১৪৭ জন বিধায়কের সঙ্গে শুক্রবার শপথ বাক্য পাঠ করলেন  চন্দনা বাউড়ি। আগামী পাঁচ বছর এলাকার মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পালন করবেন। এলাকার আরও অনেক চন্দনার স্বপ্নপূরণের কাণ্ডারি আজ চন্দনা বাউড়ি৷