পাকিস্তানকে আরো একবার যোগ্য জবাব দিলেন ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান, যা শুনে একজন ভারতীয় হিসাবে আপনিও গর্ববোধ করবেন।

যেমন কি আপনারা সকলেই জানেন 14 ই ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরে পুলওয়ামায় ভারতীয় সিআরপিএফ জওয়ানদের কনভয়ে আতঙ্কবাদী জঙ্গি হামলা হওয়ার 12 দিন পর পাকিস্তানে এয়ার স্ট্রাইক করে ভারতীয় বায়ু সেনাবাহিনী। বালাকোটের জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটিতে গিয়ে বোমা ফেলে আসে ভারতীয় বায়ুসেনার মিরাজ যুদ্ধবিমান। এই ঘটনা ঘটে যাওয়া 5 দিন পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হলেন বায়ুসেনা প্রধান বিএসএফ ধানোয়া। তবে আপনাদের বলে রাখি ভারতের এই এয়ার স্ট্রাইকের দরূন এখনো পর্যন্ত কতজন জঙ্গি মারা গেছে তা স্পষ্ট নয়। এখনো পর্যন্ত সরকার বা বায়ুসেনা তরফ থেকে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যার কথা জানানো হয়নি।

তবে বিভিন্ন সূত্র অনুসারে যে খবর পাওয়া গেছে তাতে এটা স্পষ্ট জানা গেছে যে কয়েকশো’র ও বেশি জঙ্গি মরার সম্ভাবনা রয়েছে এই এয়ার স্ট্রাইক এর দরুন।তবে এদিন বায়ু সেনা প্রধান কে এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আমরা আমাদের টার্গেট আঘাত করেছি তবে কতজন মারা গেছে তা আমরা বলব না সরকার বলবে। এদিন ওই প্রশ্নের উত্তরে বিএসএফ ধানোয়া বলেন, আমরা যদি পাকিস্তান যে কথাটি বলেছে অর্থাৎ জঙ্গলে বোমা ফেলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী যাতে তাদের কোন প্রকার ক্ষতি হয়নি তাহলে তারা তার পাল্টা আঘাত করতে কেন এলো। তিনি এদিন দাবি করে বলেন আমরা আমাদের নির্দিষ্ট টার্গেটে আঘাত করেছি বলে ওরা তার জবাব দিতে এসেছিল এতেও তাদের হাতে লেগে ছিল ব্যর্থতা। তবে বায়ুসেনা প্রধান জানিয়ে দিয়েছেন এই এয়ার স্ট্রাইক-এর দরুন কত জন জঙ্গি মারা গেছে তা স্পষ্ট বলা সম্ভব নয়। এদিন তিনি জানান কতগুলি টার্গেট কে আঘাত করা হয়েছে তা গুনতে পারে বায়ুসেনা।

তবে তিনি আরো বলেন এইসব টার্গেট এ কত জন জঙ্গি সেই সময় উপস্থিত ছিল তা থেকে মৃতের সংখ্যা বেরিয়ে আসবে বলে উল্লেখ করেছেন। তবে অন্যদিকে কয়েকদিন আগে মিগ বিমানের ক্ষমতা নিয়ম একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। পাকিস্তানি দিক থেকে আসা আধুনিক এফ-সিক্সটিন বিমানকে তাড়া করতে কেন মিগ বিমানকে পাঠানো হলো? সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে এর জবাবে বিএসএফ ধানুয়া জানিয়েছে মিগ বিমানকে আপডেট করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন এতে অত্যাধুনিক এয়ার টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম রয়েছে।গত 26 শে ফেব্রুয়ারি বালাকোট ওই এয়ার স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা, ভোররাতে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি গুলিতে বোমা ফেলে আসে তারা। আর এর পরদিনই ভারতের আকাশসীমায় ঢুকতে দেখা যায় পাক বিমান কে। তবে সেই বিমান, গুলি করে নামায় ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান।

আর অন্য  বিমান গুলির মধ্যে একটি বিমানকে তাড়া করতে গিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মিরে ঢুকে পড়ে ভারতীয় মিগ ফাইটার জেট। যার পাইলট ছিলেন ভারতীয় উইং কমান্ডর অভিনন্দন।পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে তাকে বন্দী করে নিয়ে যায় পাক সেনাবাহিনী। তবে পরবর্তী কালে আন্তর্জাতিক চাপের ফলে বাধ্য হয়ে তাকে  মুক্তি দেওয়া হয়েছে গত শুক্রবারে তিনি দেশে ফিরেছেন। আর আপনাদের বলে রাখি বর্তমানে তার এখন মেডিকেল চিকিৎসা করা হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button