“শরণার্থীদের আড়ালে জঙ্গি চাই না দেশে” সাফ জানিয়ে দিলেন পুতিন

আফগানদের সাহায্য প্রসঙ্গে সাফ না করে দিলেন রাশিয়ার প্রধান। রাশিয়াতে কোনরকম স্থান হবে না আফগানিদের শুধুমাত্র রাশিয়াতে আফগানিস্থান হবে না এ কথা বলার সাথে সাথে তিনি আরো বলেছেন পাশাপাশি দেশগুলোর উচিত এই পরিস্থিতিতে আফগানদের সাহায্য না করা। কারণ কোনো রকম বিপদের ঝুঁকি নিতে চান না। তার কথায় আফগান জঙ্গিদের কোন স্থান নেই রাশিয়ায়।

বর্তমানে আফগানিস্তানে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে ।চারিদিকে শুধু মৃত্যু-মিছিল। আফগানিস্তানে সাধারণ মানুষ থাকতে চাইছেন না। এজন্য কাবুল বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন । এ মতো পরিস্থিতিতে বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশেই কমবেশি তালিবান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে । যখন বেশিরভাগ দেশ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন সেই সময়ে রাশিয়া উল্টো সুর গাইছেন। রাশিয়া আফগানিস্তানে তালেবানদের দখলকে একটি স্বাভাবিক বিষয় ভাবেই দেখছেন ।

শুধুমাত্র পুতিন নয় এদেশের বিদেশমন্ত্রীও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। স্বাভাবিকভাবেই আফগানিস্তানের পাশ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে রাশিয়া। আফগানিস্তানের যখন জনসাধারণের উপর চরম অত্যাচার চলছে । ারীদের উপর মর্মান্তিক নির্যাতন চলছে। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গোটা দেশ। তখন স্বাভাবিকভাবেই হক্কানী নারীরা অন্যান্য দেশের উপর সাহায্য প্রার্থী হয়ে উঠেছে । তবে রাশিয়া কোনভাবেই সাহায্য করতে সম্মতি দিচ্ছে না । রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর কথায় “তালিবানদের আচরণে এমন কিছু বিসদৃশ্য দেখা যাচ্ছে না তালিবানরা পূর্বে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তাই পালন করছে”।

পশ্চিমী দেশগুলির ভিসা ছাড়া আফগানদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশ গুলি যেভাবে ভিসা ছাড়া অহরহ আফগানদের প্রবেশ করার চেয়ে সে বিষয়টি কখনোই ভালো চোখে দেখছেন না পুতিন।পুতিনের মতে মধ্য এশিয়ার অনেক দেশগুলিতে আফগানদের প্রবেশের জন্য কোনরকম ভিসার প্রয়োজন হচ্ছে না ।যদিও আমেরিকা এবং ইউরোপের প্রবেশের জন্য ভিসার প্রয়োজন আছে।

তবে এইভাবে আফগানদের সাহায্য করতে গেলে কিন্তু বিপদের একটা ঝুঁকি থেকেই থাকছে। তার কথায় আমরা কেন এই অযাচিত বিপদের সম্মুখীন হব? পুতিনের সন্দেহ আফগানদের সাহায্য চাওয়ার নামে হয়তো কোন জঙ্গি প্রবেশ করে যেতে পারে দেশে। যা পড়ে দেশের জন্য হানিকর হয়ে উঠবে। তাই তিনি আফগানদের সাহায্য প্রসঙ্গে সরাসরি না করে দিয়েছেন।