হাসপাতালের বেডে রোগীকে ফেলে বেধড়ক মারধর চিকিৎসকের! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও হল ভাইরাল..

বর্তমান যুগে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক হাসপাতালগুলিতে রোগীর আত্মীয়দের কাছে বহুবার হেনস্তার শিকার হতে দেখা গেছে চিকিৎসকদের।এমনকি অনেক সময় এটাও লক্ষ্য করা গেছে চিকিৎসার গাফিলতিতের কারণে অনেক চিকিৎসকের বেধড়ক মারধর পর্যন্ত করা হয়েছে। এতে বাদ যায়নি হাসপাতালে সুপারভাইজার রাও। তবে আজকে আপনাদের যে ঘটনাটি বলবো সেটা সম্পূর্ণ আলাদা যেখানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে একটা ভিডিও।

এই ভিডিওর মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে হাসপাতালে রোগীকে বিছানায় অর্থাৎ হাসপাতালের বেডে ফেলে বেধড়ক মারধর করছে এক চিকিৎসক। তথ্য অনুসারে জানতে পারা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে 1 জুন, আর যে জায়গার এই ঘটনাটি ঘটেছে সেটি হল জয়পুরের একটি হাসপাতাল যার নাম জয়পুর সোয়াই মানসিংহ হাসপাতাল। তবে এখন ব্যাপারটি হলো চিকিৎসক কেন এরকম মারমুখী হয়ে উঠলেন ওই রোগীর প্রতি?

তবে আপনাদের বলে রাখি এই চিকিৎসকের বেশ নামডাক রয়েছে ওই হসপিটালে। কিন্তু হঠাৎ করে হাসপাতালের বেড এর উপর চড়ে রোগীকে এই ভাবে মারধর কোন চিকিৎসকের ক্ষেত্রে মানায় না। এমনকি এই ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রাজস্থানের সরকার বেশ নড়েচড়ে বসেছে। রঘু শর্মা যিনি রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তিনি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাঠিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে।এমনকি তিনি আশ্বাসও দিয়েছেন ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

এমন কি এই ঘটনায় রাজস্থানের মানবাধিকার কমিশনও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে গোটা ঘটনার তথ্য জানতে চেয়েছে। এখনো পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জানতে পারা গেছে সোয়াই মানসিংহ হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের অভিযোগ প্রথমে ওই রোগী এক মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন পরে তাকে সে বিষয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলে সে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে এক পুরুষ চিকিৎসক। এমনকি চিকিৎসকের ওপর চড়াও হোয়ার চেষ্টা করে রোগীকে বাধা দেবার চেষ্টা করলে সেখানকার উপস্থিত চিকিৎসক ও অন্যান্য রোগীর আত্মীয়রা।তবে শেষমেষ সেই ঘটনাটি হাতাহাতি পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

 

আর হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটি 31 সেকেন্ডের , যার মধ্যে ধরা পড়েছে ঘটনার কিছুটা অংশ। তথ্য থেকে জানতে পারা গেছে এই রোগের নাম মোবারিক। আর এই রোগী আপাতত সুস্থ অবস্থাতেই রয়েছে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়েও দেওয়া হবে।