রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির জারি সর্তকতা, উত্তরবঙ্গে প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা…

গত কয়েকদিন ধরে বাতাসে বেশি আর্দ্রতা থাকার কারণে অস্বস্তি বেড়েছে। তাছাড়া আজ সোমবার দিন শহর ও শহরতলির আকাশ সারাদিন মেঘলা থাকবে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।পাশাপাশি হাওয়া অফিসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে আর যার দরুন আগামী 15 জুলাই পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গাতে সর্তকতা জারি করা হয়েছে। তবে শুধু উত্তরবঙ্গেই নয় তার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

সোমবার দিন মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম, উত্তর 24 পরগনায় ভারী বৃষ্টিপাতে সর্তকতা রয়েছে। আর আগামীকাল মঙ্গল ও বুধবার দিন বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে।তবে অপরদিকে উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশিরভাগ জায়গাতেই ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে তার পাশাপাশি ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে হাওয়া দপ্তরের তরফ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা গুলির নামও ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে যার মধ্যে নাম রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডের।

এছাড়া বেশ কয়েকবার ভারী বৃষ্টির ফলে জল যে পরিমানে বেড়েছে তার জেরে আসামের ব্রহ্মপুত্র নদী নিয়েও বেশ আশঙ্কা রয়েছে। সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের ঝুঁকিতে থাকবে যার দরুন রেল, রাস্তা এবং বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে। অন্যদিকে আজ সোমবার দিন কলকাতা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল 25.8 ডিগ্রি সেলসিয়াস স্বাভাবিকের থেকে তা এক ডিগ্রি কম।এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা 34 ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের তুলনায় 2 ডিগ্রী বেশি।

এছাড়া বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক 97 শতাংশ।তাছাড়া রবিবার দিন রাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ কলকাতায় প্রবল বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গাতে এক্ষেত্রে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির দেখা মিলেছে।উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস যে পূর্বভাস দিয়েছিল হওয়া উচিত তা মিলে গিয়েছে।মৌসুমী অক্ষরেখা অমৃতসর, বরেলি, মধুবনি, পাটনা হয়ে হিমালয়ের পাদদেশে পর্যন্ত বিস্তৃত আর এরই প্রভাবে উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি যেমন সিকিম উত্তরবঙ্গের বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।এছাড়া ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে দার্জিলিং,কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারের বেশ কিছু অংশে।

যার ফলে উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু নিচু এলাকা জলে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আকার পাশাপাশি বেশকিছু এলাকায় বন্যার পরিস্থিতি রয়েছে। প্রসঙ্গত বলে রাখি গত শনিবার দিন সকাল পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে 186 মিমি হাসিমারায়, ময়নাগুড়িতে 116 মিমি, জলপাইগুড়িতে 93 মিমি ও আলিপুরদুয়ারে 115 মিমি।

Related Articles

Back to top button