দু’বছর যেতে না যেতেই খসে পড়ছে ছাদ, পাকিস্তানে চীনাদের তৈরি এয়ারপোর্টের হাল ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়…

অত্যন্ত কম দামে জিনিস তৈরি করে তা বাইরের দেশে রপ্তানি করার ক্ষেত্রে চীন পারদর্শী। চীনা দ্রব্য অনেকে ব্যবহার করেন যেহেতু তারা কম দামে ওই জিনিসটি ব্যবহার করতে পারছেন। কিন্তু যেমন তারা কম দামে জিনিস দিচ্ছে তেমনি আবার অনেক সময় চীনা পণ্যের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ তারা কম দামে জিনিস দিলেও তা খুব কম দিনের জন্য ব্যবহার করতে পারা যায়। এর প্রমাণ আমরা হাতেনাতে পেয়ে থাকি। তবুও এই কম দামে জিনিস দেওয়ার জন্য সারা বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশের বাজার চীনা পণ্যে ছেয়ে গেছে।

এমনকি এর থেকে বাদ যায়নি পাকিস্তান। যদিও চীন পাকিস্তানকে বরাবরই সাপোর্ট করে এসেছে। বন্ধু দেশ হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তানের সাথে ব্যবসা করে যাচ্ছে চীন। সস্তার জিনিস যে বেশিদিন টিকে না তা আবারও হাতেনাতে প্রমাণ পাওয়া গেল একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিওর মাধ্যমে। জানা গিয়েছে অনিল চোপড়া নামের এক ব্যক্তি টুইটারে এই ভিডিওটি পোস্ট করেছেন। এই ভিডিও পোস্ট করার পর এই মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই ভিডিওটি ছিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদ এয়ারপোর্টের দৃশ্য।

এই ভিডিওটি বিজেপি সাংসদ রাজিব চন্দ্রশেখর পোস্ট করেছেন। এবং সেখানে তিনি চীন এবং পাকিস্তান উভয়কে কটাক্ষ করে বলেছেন যে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি এখনো অব্যাহত রয়েছে। এই ভিডিও টিতে দেখা যাচ্ছিল যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদের ওই বিমানবন্দরের উপরের ছাদ থেকে সাদা চাঙড়ের মতন মত অংশ খসে পড়ছে। এগুলি হল ফলস সিলিং এর অংশ। এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই চীন এবং পাকিস্তান দুই দেশকে কটাক্ষ করেছে ভারতীয়রা। ওই ভিডিওটিতে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে যে, বিমানবন্দরের অংশগুলোতে আলো জ্বলছে।

শুধু তাই নয় সেখানে বহু লোকজনও ঘোরাফেরা করছে। অর্থাৎ এটি মোটেও পরিত্যক্ত অংশ নয়। অনিল চোপড়া ওই ভিডিওটি টুইট করে তাতে লিখেন যে, “এই বিমানবন্দরটি তৈরি হয়েছে 2018 সালে এবং এটি তৈরি করেছে চাইনিজ স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন।” অর্থাৎ দু’বছরের মধ্যে চীনের তৈরি বিমানবন্দরটির হালত আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি।অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে দু বছরের তৈরি বিমান বন্দরটি যদি এই অবস্থা হয় তাহলে পরে কী অবস্থা হবে। এর পাশাপাশি নেটিজেনরা চীনের তৈরি পণ্যের মান নিয়েও মজা করতে ছাড়েননি।