১১ তারিখের পর থেকে ৪৫ বছরের নীচের ব্যাক্তিদেরও দেওয়া হবে ভ্যাকসিন, বিস্তারিত জানতে

এখন পশ্চিমবাংলায় শুরু হয়ে গেছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাথে রয়েছে মৃত্যু মিছিল। আর করোনার মহামারীকে ঠেকানোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ভ্যাকসিনের গতি বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এবার ৪৫-এর নীচের ব্যক্তিদের করোনা টিকা করনের জন্য পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

 

বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে আগামী ১১ ই এপ্রিল থেকে ৪৫ বছরের নীচের ব্যক্তিদের করোনা টিকা করনের সুবিধা পাওয়া যাবে। যে সমস্ত কর্মক্ষেত্রে ১০০ জনের বেশি কর্মীরা কাজ করে সেই কর্মক্ষেত্রগুলিতে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য সেন্টার করা হবে।

গত ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে ৪৫ – ৫৯ বছর বয়সী মানুষের করোনার টিকা দেওয়া। বহু সংখ্যক মানুষ করোনার টিকা নিয়েছেন। এখন বহু সংখ্যক মানুষ সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। যে সমস্ত অফিসে একশো জনের বেশী মানুষজন কাজ করে সেই সমস্ত অফিসের এবার করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার সেন্টার করা হবে। এরফলে মানুষজনদের আর ভ্যাকসিন সেন্টারে গিয়ে ভিড় করতে হবে না।

কোন কোন অফিসে ভ্যাকসিনের সেন্টার তৈরি করা হবে সে বিষয় ডিটিএফ যা জেলার ডিএম -র নেতৃত্বে তৈরি করা হবে। এই টিম সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকের নেতৃত্বে একটি টাস্কফোর্স তৈরি করবে। নোডাল অফিসার ভ্যাকসিনেশনের সব বিষয়গুলি দেখাশুনা করবেন। বিভিন্ন অফিসগুলোতে যখন ভ্যাকসিনের সেন্টার খোলা হবে সেই সেন্টার থেকে কেবলমাত্র ওই অফিসের কর্মীরাই ভ্যাকসিন নিতে পারবে।

বাইরের কোনো লোক ওই সেন্টারে গিয়ে ভ্যাকসিন নিতে পারবে না। সব ভ্যাকসিনেশন কোউইন অ্যাপে রেজিস্ট্রার করতে হবে৷ স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য করোনার টিকা করনের নতুন রেজিস্ট্রেশন সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউকে আটকানোর জন্য সরকার যত দ্রুত সম্ভব টিকা করনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।