কাশ্মীর নিয়ে ইমরানের সরকারকে বাউন্সার ঝাঁকিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়ালো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প..

ইমরান খান যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সফরে গিয়েছিলেন সেই সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, পাকিস্তান আর ভারত যদি চায়, তাহলে কাশ্মীরের সমস্যার সমাধান করার জন্য এগিয়ে আসবেন তিনি। কিন্তু ট্রাম্পের এই প্রস্তাব সঙ্গে সঙ্গে খারিজ করে দেয় দিল্লি। মোদি সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, কাশ্মীর সমস্যা দ্বিপাক্ষিক, সেখানে তৃতীয় কেউ নাক গলাক আমরা চাই না। এরপরে আছে ঐতিহাসিক ঘটনা যেখানে বলা হয়েছে, কাশ্মীর থেকে 370 ধারা তুলে নিচ্ছে ভারত।

এই ধারাকে তুলে নেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই মার্কিন মুলুক থেকে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া উঠে আছে। 1. এ নিয়ে ট্রাম্প সরকার এর বর্তমান দাবী হল :- কাশ্মীর থেকে ভারত সরকার 370 ধারা তুলে নেওয়ার পর ট্রাম্প সরকার জানায়,’ জম্মু ও কাশ্মীরের ওপর আমরা কাছ থেকে সব সময় নজর রাখছি। এমনকি আমরা জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারতের এই সাংবিধানিক পদক্ষেপ গুলি কে লক্ষ্য রাখছি। আমরা এটাও লক্ষ্য রেখেছি যে একটা প্রদেশকে বিভক্ত করা হয়েছে। এমনই তথ্য প্রকাশ করেন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র মর্গান ওর্টাগাস।

2. ভারতের এই পদক্ষেপকে ঘিরে মার্কিন প্রশাসন যা বলেছেন :- পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ট্রাম্পের এই মধ্যস্থতা কে বরাবরের সমর্থন করে এসেছেন। কিন্তু ইমরান খানের সমস্ত ইচ্ছে বেকার হয়ে যায়। এই প্রসঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এ বিষয়ে ভারত জানিয়ে দিয়েছে যে এটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বাইরের কেউ যেন এ বিষয়ে নাক না গলায়। আমেরিকা বার্তা দিয়েছে পাশাপাশি দুটি দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি বজায় রাখে।
3. কাশ্মীরে আটক করে নিয়ে উদ্বেগ :
মার্কিন সরকার জানিয়েছেন কাশ্মীরে বিভিন্ন আটক করার ঘটনা তাদের কাছে রয়েছে। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়েও তারা অনেকটা চিন্তিত। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে কাশ্মীর নিয়ে ইমরানের যত আশা আকাঙ্ক্ষা ছিল তার সমস্ত কিছু ভেস্তে দিয়েছে ট্রাম্প। কাশ্মীরের 370 ধারা লাগু করার ইস্যু ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ’ বিষয়ে বলে কার্যত ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছেন মার্কিন প্রশাসন।