বিয়ের জন্য ‘ধর্মান্তকরণ’ করলেই করা হবে কড়া শাস্তি!উত্তরপ্রদেশে পাশ লাভ জেহাদ বিল

উত্তরপ্রদেশে পাশ হল  লাভ জেহাদ (Love Jihad Bill) বিল।  উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় ধ্বনিভোটে বিলটি পাশ হয়ে যায়। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের ২৮ তারিখ একটি অর্ডিন্যান্স পাশ করেছিল যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সরকার। এবার সেই অর্ডিন্যান্স কার্যত আইনে পরিণত হওয়া  সময়ের অপেক্ষা মাত্র।   যদিও এই আইন নিয়ে একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে এর মধ্যেই । এমনকী, এর সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখছে দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট।

নতুন আইন অনুযায়ী বিয়ের জন্য কোনও মহিলার ধর্মান্তকরণ করা যাবে না৷ যদি এমন ধর্মান্তরিত করা হয় তবে  তা ‘বাতিল’ ঘোষিত হবে। শুধু তাই নয়, বিয়ের পরে ধর্ম বদলাতে চাইলে জেলাশাসকের কাছে আবেদন জানাতে হবে। কোনওরকম প্রতারণা কিংবা প্রলোভন দেখিয়ে অথবা জোর করে ধর্মান্তকরণ করলে অভিযুক্ত সকলকে ৩ থেকে সর্বাধিক ১০ বছরের সাজা দেওয়া হতে পারে। সাথে ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও দিতে হবে।

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সিটিজেন ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস এই ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে।   এই আইনের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন আইনজীবী তিস্তা সেলভেস্তা এবং বিশাল ঠাকরে। কিন্তু তাঁদের আর্জি খারিজ করে দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে।

 

ছাত্র ছাত্রীদের প্রেমের শিক্ষা দেওয়ার জন্য খোলা হচ্ছে Love স্কুল,অধ্যাপক থাকবেন মটুকনাথ চৌধুরী

দুই রাজ্য-সহ কেন্দ্রকে নোটিস পাঠিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এক মাসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়৷  এর মধ্যেই এই বিল পাশ হল উত্তরপ্রদেশের বিধানসভায়। আগামী বছরেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে যোগী সরকারের এই পদক্ষেপ বিশেষ  ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ  মহল এর অনেকেই৷

উত্তরপ্রদেশ পাশ হওয়া এই আইন সমাজ ও সংবিধানের চরিত্র বদলে দিতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে। সমাজের এক শ্রেণির মানুষ এই আইনকে হাতিয়ার করে মিথ্যা অভিযোগে যে কোনো ব্যক্তিকে যখন তখন  ফাঁসিয়ে দিতে পারে প্রতিপক্ষকে এমন আশঙ্কাও থাকছে । যদিও তাঁদের কথায় কান দিতে নারাজ যোগী সরকার।