Categories
নতুন খবর বিশেষ

রাতের ঘুম উড়তে চলেছে লালচীনের, মানা করা সত্ত্বেও 90 টি F-16 যুদ্ধবিমান দিচ্ছে আমেরিকা

আমেরিকারর প্রধান শত্রু এখন যদি এখন কেউ হয় তাহলে সেটা চীন। তাই চীনকে একাধিক দিক থেকে চাপে ফেলার জন্য ছক কষছে আমেরিকা। চীনকে চাপে ফেলার জন্য তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করছে আমেরিকা। খবর সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ট্রাম্প প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক কয়েকদিন আগেই তাইওয়ান সফরে যান। এবং সেখানে গিয়ে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন তিনি। আমেরিকার কাছ থেকে তাইওয়ান বহু সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য এই বৈঠক করে বলে জানা গিয়েছে।

 

জানা গেছে, তাইওয়ান আমেরিকার কাছ থেকে এফ-16 যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে। আমেরিকা এবং তাইওয়ানের সাথে মোট 6 হাজার 200 কোটি ডলারের চুক্তি হয়েছে। এমনকি বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এটিই হচ্ছে আমেরিকা এবং তাইওয়ান এর মধ্যে সবথেকে বড় চুক্তি। আর এই সামরিক চুক্তির ফলে চীনের সঙ্গে শত্রুতা আরো বেড়ে যাবে বলে অনুমান করেছেন বিশেষজ্ঞরা।আমেরিকা এবং তাইওয়ানের মধ্যে হওয়া এই চুক্তিতে আমেরিকা তাইওয়ানকে মোট 90 টি এফ-16 যুদ্ধবিমান দেবে।


আপনাদের জানিয়ে দিই বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধবিমান গুলির মধ্যে এটি একটি। আমেরিকার তরফ থেকে এই যুদ্ধবিমানকে এর আগে অনেকবার আপগ্রেড করেছে তারা। খবর সূত্রে জানা গিয়েছে, আমেরিকা যে এফ-16 যুদ্ধবিমান গুলি তাইওয়ানকে দেবে সেই গুলি হবে সবথেকে আধুনিকতম এফ-16 যুদ্ধবিমান। আগামী দশ বছর ধরে এই বিমানগুলি তাইওয়ান কে দেবে আমেরিকা। এমনটাই প্রাথমিক সুখবর সূত্রে জানা গিয়েছে।

 

স্বাভাবিকভাবেই আমেরিকা এবং তাইওয়ান এর মধ্যে এই চুক্তিতে চিন্তায় পড়ে গেছে চীন। এমনকি চাপের মুখে চীন তীব্র হুংকার ছেড়েছে। সরাসরি আমেরিকাকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। চীনের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আমেরিকা যদি তাইওয়ান কে এফ-16 যুদ্ধবিমান দেয় তাহলে মার্কিন প্রশাসনকে এর ফল ভোগ করতে হবে। এমনকি যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে চীন।

 

অপরদিকে আবার চীনের এই হুঁশিয়ারিকে কোন গুরুত্ব দেয়নি আমেরিকা। গতবছরের তাইওয়ানকে 66 টি এফ-16 যুদ্ধবিমান দেওয়ার কথা ছিল আমেরিকার। সেই সময়েও চীন এই চুক্তি বাতিল করার জন্য বলে। কিন্তু ট্রাম্প সরকার কোনভাবেই চীনের কথায় কান দেননি। বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনকে কড়া জবাব দেওয়ার জন্য আমেরিকার তাইওয়ানের সাথে এই চুক্তি করেছে।