গত 4 বছরে মোদীর জমানায় বৃদ্ধি পেয়েছে বেকারত্বের পরিমাণ,পাশাপাশি বেড়েছে 24% আত্মহত্যার হার

প্রতিবছর লক্ষাধিক ছেলে মেয়ে নতুন নতুন ভাবে বেকার হয়ে পড়ছে। নেই পর্যাপ্ত চাকরি ফলে যুবসমাজ বেছে নিচ্ছে আত্মহত্যার পথ। তবে বর্তমানে চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যার হার প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৪ সালের মোদী জামানার সময় থেকেই এমনই রিপোর্ট জানাচ্ছে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো। রিপোর্টে জানানো হয়েছে ২০১৬ সালে আত্মহত্যার সংখ্যা ছিল ২২৯৮ সেখানে ২০১৯ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৫১ জন। মোদী জমানায় গত ৪ বছরে বেকারত্বের জ্বালায় আত্মহত্যা করেছেন প্রায় ২৪ শতাংশ যুব সমাজ।

করোনা মহামারী প্রবেশ করার আগেই এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেন্ট্রাল ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি চিফ এক্সিকিউটিভ মহেশ ব্যাস। আর করোনা মহামারীর মধ্যে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা প্রায় ৯৭ শতাংশ বলে জানা গেছে। প্রায় প্রত্যেকেই কমবেশি ঘরে বসে রয়েছেন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর ‘আচ্ছে দিন’আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিবছর ২ কোটি চাকরির আশ্বাস দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বেকারত্ব

কিন্তু বর্তমান সময়ে NCRB রিপোর্ট বলছে ২০১৬ সাল থেকেই বেকারত্বের বোঝা কাঁধে নিয়ে মারা গেছেন প্রায় ২২৯৮ জন পাশাপাশি বাকি বছর গুলিতে মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪০৪ জন, ২৭৪১জন ও ২৮৫১ জন।

আত্মহত্যার রিপোর্ট অনুসারে সর্বাধিক মৃত্যু দেখা গেছে বিজেপি শাসিত রাজ্য কর্ণাটকেই। বেকারত্বের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন প্রায় ৫৫৩ জন। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে ৪৫২ জন এবং তামিলনাড়ুতে ২৫১ জন পাশাপাশি আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে ২০১৬ সালে আত্মহত্যা করেছিলেন ১০৯ জন এরপর ২০১৭ সালে ৯৫ জন ২০১৮ সালে ৭৫ জন এবং ২০১৯ সালে সেই সংখ্যা অনেকটা কমে দাঁড়িয়েছে ৪০ জন।