গর্ভবতী হাতি হত্যা মামলায় প্রকাশ্যে এল 2 অভিযুক্তের নাম, কঠোর শাস্তির দাবি গোটা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন-“জীবে প্রেম করে যেই জন , সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” অর্থাৎ মহাবিশ্বে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে সবই স্রষ্টার সৃষ্টি। সমস্ত জীবজগৎ তিনিই সৃষ্টি করেছেন পরম যত্নে নিয়ে,যেমন পরম ভালোবাসায় তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে। তাঁর মহাশক্তির অন্ততঃ কিঞ্চিৎ ক্ষুদ্রাংশ শক্তি জীবজগতের তাঁর সৃষ্ট প্রত্যেক জীবের মধ্যেই বিরাজমান। অর্থাৎ জীবজগতের সবকিছুর মধ্যেই তাঁর শক্তির এবং তাঁর অস্তিত্বের উপস্থিতি বর্তমান রয়েছে। তাই প্রত্যেক জীবের প্রতি দয়া পদর্শন করা আমাদের প্রত্যেকেরই পরম কর্তব্য।

কেননা জীবসেবা করলেই প্রকারান্তরে স্রষ্টার সেবা করা হয়। প্রত্যেক জীবের প্রতি যত্নবান হলে এবং তাদের ভালোবাসলে, তবেই সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করা হয়। আর যুগ যুগ ধরে একথায় ভারতীয় সমাজে শিক্ষা দিয়ে গেছেন বড় বড় মুনিঋষি থেকে শুরু করে মহাপুরুষেরা। তবে বর্তমানে যেনো শিক্ষা আত্মধ্বংসকারী রূপ নিতে শুরু করেছে, দিন দিন কমছে ন্যায়, সততা, জীব প্রেমের পবিত্র অনুভূতি।এর প্রকৃত উদাহরণ কয়েকদিন আগেই মিলেছে যেখানে এক গর্ভবতী হাতিকে বোমা ভরা আনারস খাইয়ে কেরলে হত্যা করেছে কিছু মানুষ রুপী রাক্ষস।

যদিও আর এই ঘটনা টিকে হালকা করার জন্য কিছু মিডিয়ার তরফ থেকে একথা জানানো হয়েছে আনারসের ভিতরে ছিল বাজি। এই ঘটনাটিকে হালকা করে দেখিয়ে অপরাধীদের যেনো বাঁচানো যায়। যার জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই বিষয় নিয়ে একাধিক অভিযোগও উঠেছে।গত কয়েকদিন ধরে গোটা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে অধিকাংশ জায়গায় এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছেন তাদের নাম কেন প্রকাশ্যে আসছে না? কিংবা তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না? এই নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল।

https://twitter.com/ippatel/status/1268611380308873219?s=20

তবে এবার এই বিষয় নিয়ে খোলাসা করা হয়েছে যেখানে রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর মিডিয়া উপদেষ্টা অমর প্রসাদ রেড্ডি এই ঘটনায় যুক্ত থাকা 2 অপরাধীর নাম তুলে ধরেন যাদের নাম থামিম শেখ ও আমজাদ আলী। তিনি জানান আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছি যেন অপরাধীদের উপযুক্ত সাজা দেওয়া হয় এবং এক্ষেত্রে যেন জাতি, ধর্ম না দেখে তদন্ত করা হয় তাদের বিরুদ্ধে‌। প্রসঙ্গত যেমনটা আমরা জানি এক বোমা ভর্তি আনারস খাইয়ে এক গর্ভবতী হাতিকে হত্যা করা হয়েছিল, আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার শুরু হয়েছিল ব্যাপক আন্দোলনের। যেখানে সকলেই এই ঘটনার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের সাজার জন্য দ্বারস্থ হয়েছিল। এমনকি এই ঘটনাটি কেন্দ্র সরকার অব্দি পৌঁছেছে এবং কেন্দ্র সরকারও এই বিষয়টিকে হস্তক্ষেপ করে কেরল সরকারের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।