মোদির ব্রিগেড মঞ্চ থেকে মমতা সহ নিশানায় বাম- কংগ্রেস,এক নজরে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার কুড়িটি পয়েন্ট

বিধানসভার ভোট শুরু হতে চলেছে মার্চ মাসের শেষের দিকে। ভোটে পদ্ম শিবিরকেই জয়ী করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ব্রিগেড সমাবেশ করে গেরুয়া শিবিরের প্রচার চালান বাংলা সর্বস্তরের মানুষের কাছে। সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি কি বার্তা দিয়েছেন তা আমরা এক ঝলকে দেখে নেব।

১) বাংলার মানুষ পরিবর্তনের হাওয়া চাইছে।

২) এবারের নির্বাচনে একদিকে যেমন আছে তৃণমূল, কংগ্রেস এবং সিপিএম এর মত বাংলা বিরোধী দলগুলো অপরদিকে আছে বঙ্গের জনতা।

৩) ব্রিগেডে সমাবেশে মানুষের জমায়েত দেখে কারোর মনে কোন সন্দেহ থাকবে না যে বঙ্গে বিজেপি আসছে বলে। কেউ কেউ মনে করছেন যে ভোটের ফলাফল ঘোষণা হয়ে গেছে।

৪) বঙ্গে কোন নদীর আশ্বাস দেওয়ার জন্য আমি এখানে এসেছি। বঙ্গে বিজেপি আসলে এখনকার পরিবেশের সত্যিই বদল আসবে। আমরা পরিশ্রমের দ্বারাই আপনাদের মন জয় করে নেব।

৫) আসল পরিবর্তন বলতে প্রধানমন্ত্রী বোঝাতে চেয়েছেন যে পরিবর্তনের ফলে এই যুব সমাজ শিক্ষা পাবে, কাজ পাবে। এই যুব সমাজের কোনো যুবক যুবতীদের এই রাজ্য ছাড়তে দেবোনা। এই রাজ্যেই আমরা কর্মসংস্থান তৈরি করব। এই পরিবর্তনেই গরিবরাও উন্নতি স্থান দখল করবে। পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ, জঙ্গলমহল প্রতিটি জায়গার মানুষের কথা সমান ভাবে ভাবা হবে। অনুপ্রবেশ আটকানো হবে উন্নয়ন বাড়ানো হবে।

৬) স্বাধীনতার পর থেকেই এক এক করে বাংলার ক্ষতি হতে শুরু করেছে। ৭৫ বছরে যা ক্ষতি হয়েছে তা ফিরিয়ে আনা হবে। আগামী ২৫ বছর বাংলা জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। ২০৪৭ সালে সারা দেশকে নেতৃত্ব দেবে এই বাংলা। এই লক্ষ্যেই বিজেপি সরকারকে আপনারা ভোট দিন।

৭) সিটি অফ জয় কলকাতাকে আমরা বানাবো সিটি অফ ফিচার।

৮) সিপিএমরা যখন রাজত্বে আসে তখন তাদের স্লোগান ছিল কংগ্রেসের কালো হাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও। এখন সে কালো হাত কি করে ফর্সা হয়ে যায়?

৯) তৃণমূল সরকারের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে বাংলার মা বোনেদের উপর দিনে দিনে অত্যাচার বাড়ছে। বাংলার সমস্ত মানুষ নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়েছে। তৃণমূলের মুখোশ এখন সকলের সামনে খুলে গেছে।

১০) বাংলার মানুষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটাই প্রশ্ন করছে। আপনাকে তো বাংলার মানুষ দিদি বলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসিয়েছিল। আপনি কেন তবে বাংলা সব ভাইবোনদের কথা না ভেবে, নিজের ভাইপোর পিসি হয়ে থেকে গেলেন। ভাইপোর লালসা মেটানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে গেলেন।

১১) স্কুটি চালাতে গিয়ে পড়ে যান নি এটাই অনেক ভালো। না হলে যে রাজ্যে এই স্কুটি তৈরি করা হয়েছে সেই রাজ্যকেই আপনি নিজের শত্রু ভেবে ফেলতেন।

১২) ভবানীপুর ছেড়ে আপনার স্কুটি নন্দীগ্রামে গিয়ে পৌঁছেছে। আপনি নিজেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর কি করা যাবে।

১৩) কেন্দ্র সরকার রাজ্য সরকারকে যে টাকা পাঠিয়ে ছিল। সেই টাকা আজও রাজ্য সরকার খরচ করতে পারেনি। যথাসময়ে কাজ শেষ করেছে বিজেপি।

১৪) বিরোধিরা বলে আমরা নিজেদের বন্ধুর জন্য কাজ করি। আমি বলি ছোট থেকে আমি যাদের সাথে বড় হয়েছি আমি তাদের জন্যই কাজ করি। ছোটবেলা থেকে আমি দারিদ্রতার সাথে লড়াই করে বড় হয়েছি। তাই আমি গরিবদের জন্যই সব সময় কাজ করি তাদের পাশে থাকি।

১৫) দিদি ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা বড় ধরনের খেলোয়াড় এক এক জন। এই রাজ্যে তাঁরা দুর্নীতির অলিম্পিক খেলেছে।

১৬) এবার তৃণমূলের খেলা শেষ করে বাংলায় উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

১৭) মমতা ব্যানার্জির নিজের উপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তাঁর রিমোট যেন অন্য কারোর হাতে রয়েছে। সেই ব্যক্তিটি যেমনভাবে চাইবেন মমতা ব্যানার্জিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

১৮) প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে মমতা ব্যানার্জি নাকি তাকে কখনো দৈত্য কখনো গুন্ডা বলেছেন। তাঁর উপর এত রাগ কিসের মমতা ব্যানার্জির?

১৯) বাংলার সরকারি কর্মচারীদেরকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন যে সরকারি কর্মচারীরা যেন কোনো ভয় না পান। ২মে এর পর আর ভয় পাবার দিন কখনো আসবে না।

২০) তৃণমূলের দুর্নীতি জন্যই পদ্মফুল বেশি করে ফুটে উঠছে। লোকসভা ভোটে তৃণমূলকে বিজেপি হাফ করে দিয়েছে। আর বিধানসভা ভোটে সম্পূর্ণ সাফ করতে পারবে।