এই নিয়ম মেনে তুলসী গাছ রাখুন, সংসারে ফিরে আসবে শান্তি

একবিংশ শতাব্দীতে সারা দুনিয়া হয়ে গেছে ডিজিটাল। তবুও প্রাচীন রীতি নীতি আচার পুরোপুরি বিসর্জন দেওয়া যায় না৷ ভালো থাকতে সবাই চায়৷  তাই জীবনের এই চলার পথকে আরও সুগম করে তুলতে নিয়ম-কানুন, আচার অনুষ্ঠান মেনে চলা জরুরি।  আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যদি আমরা  অল্প অল্প করে বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী কাজকর্ম করলে  সংসারে আসবে সুখ শান্তির বার্তা।

 

জীবনে সুখশান্তি মানেই যে সবসময়  আর্থিক সুখ শান্তিহবে সেটা কিন্তু নয়। মানসিক শান্তিও প্রয়োজন৷ তবে এই সাংসারিক সুখ শান্তি শুধুমাত্র সঠিক দিক নির্ণয় করে বাড়ি তৈরির উপর নির্ভর করে না। প্রাচীন কাল থেকেই হিন্দু শাস্ত্রে তুলসী গাছকে পুজো করা হয়৷ তবে বাস্তুবিদরা বলছেন  বাড়িতে তুলসী গাছ রাখতে হবে কতগুলি নিয়ম মেনে। তাহলেই মিলবে মানসিক সুখ শান্তি।

কী বলছেন বাস্তুবিদেরা?

১.বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, তুলসী গাছ পুরাণ কাহিনীতে লক্ষীর রুপ।  যে বাড়িতে তুলসী গাছকে নিয়মিত ফুলজল দিয়ে পুজো করা হয় সেখানে মা লক্ষীর  অধিষ্ঠান হয়। এই গাছ গৃহস্থ বাড়িতে থাকলে সংসারে পজিটিভ এনার্জি আসে৷

২. শাস্ত্র মতে সাংসারিক বিপর্যয় প্রতিরোধের পাশাপাশি রোগব্যাধি ধ্বংস করতে সহায়তা করে তুলসী গাছ৷ যে বাড়িতে প্রচুর তুলসী গাছ রয়েছে এবং নিয়মিত পুজো করা হয় সেই বাড়িতে সুখ বিরাজ করে।

৩. তবে গৃহস্থ বাড়িতে তুলসী গাছ সবসময় বিজোড় সংখ্যায় রাখা উচিত।  এই গাছের পাশে কোনও কাঁটা জাতীয় গাছ রাখা উচিত নয়।

অমাবস্যা পূর্ণিমায় গাছের পাতা তোলা চলবে না।

৪. তুলসী মঞ্চ সর্বদা পরিস্কার পরিছন্ন রাখা উচিত। প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যে মঞ্চে ধূপ-দীপ দিতে হবে৷

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাকে চাইছে‌ গোটা রাজ্যবাসী, বেরিয়ে এল জনমত সমীক্ষার ফলাফল

৫. তুলসী গাছ বয়ে আনে আর্থিক সৌভাগ্যও। তবে বাড়িতে তুলসী গাছ উওর অথবা উওর-পূর্ব দিকে লাগান।

৬. কখনই মরা তুলসীগাছ রাখবেন না। গাছ মরে গেলে বা শুকিয়ে গেলে জলাশয়ে ফেলে দিন।

৭. প্রতিদিন নিয়ম করে তুলসী গাছে জল ঢালুন। দু-চারটো পাতা খেলে যাবতীয় রোগব্যাধি দূরে থাকবে

এই নিয়ম গুলি মেনে পরিচর্যা করুন তুলসী গাছের। সংসারে অবশ্যই ফিরবে সুখশান্তি এবং সমৃদ্ধি।