Categories
দেশ নতুন খবর বিশেষ

চাপ বাড়তে চলেছে চীনের, চীনকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলার প্রস্তুতি নিলেন মোদী- ট্রাম্প! দিলেন বড়ো সংকেত..

চীনের জন্যই আজ সারা বিশ্বে মানব প্রজাতি সংকটের কবলে পড়েছে। আজ চীন যদি করোনা নিয়ে একাধিক তথ্য বিশ্বের কাছ থেকে না লুকাতো তাহলে হয়তো, আজ এই ভাইরাস মহামারির আকার ধারণ করতে পারত না গোটা বিশ্বে। বিশ্বের সকল দেশই এই মরণ ভাইরাস করোনাকে বিশ্বব্যাপী মহামারির আকার ধারণ করার পেছনে দায়ী করছে চীনকে। যা এর আগেও আমরা প্রমান পেয়েছি। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার এই রকম এক করুণ পরিস্থিতির জন্য চীনকে দায়ী করেছে।

এখন সীমান্ত এলাকা নিয়ে ভারতের সাথে চীনের সম্পর্ক খুব বেশি খারাপ হয়ে গিয়েছে। এমন কী বর্তমানে ভারতের সাথে চীনের পরিস্থিতি যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আর এবার যে খবরটি বেরিয়ে আসছে সেখানে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সাথে সমস্ত রকম বাণিজ্য সম্পর্ক শেষ করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিন ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান আমেরিকার কাছে চীনের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যাওয়ার বিকল্প পথ রয়েছে। এই দিন ট্রাম্পের তরফ থেকে একটি টুইট করা হয়, আমেরিকান বাণিজ্যিক প্রতিনিধি রবার্ট লাইটাহাইজার দ্বারা দেওয়া বয়ানের কথা উল্লেখ করেন।


যেখানে নাকি রবার্ট লাইটাহাইজার বলেছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতিকে এরকম ভাবে আলাদা করা সম্ভব হবে না। তবে এবার ডোনাল্ড ট্রাম্প সেটিকে টুইট করে লেখেন, ‘এটি অ্যাম্বাসাডার রবার্ট লাইটাহাইজার এর ভুল না, আমিই হয়তো নিজেই স্পষ্ট করে বলেছিলাম না, কিন্তু চীনের সাথে সম্পূর্ণ ভাবে আলাদা হতে আমারিকার কাছে নিশ্চিত রুপে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নীতির বিকল্প মজুত আছে।” ট্রাম্প এই ট্যুইট আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রী মাইক পম্পিও আর চীনের আধিকারিক ইয়াং জিএচি-এর সাক্ষাৎ এর ঠিক একদিন পরেই করেন।

তবে যাই হোক আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের দেশে করোনা ছড়ানোর জন্য একাধিকবার প্রকৃতরূপে দায়ী করে এসেছে চীনকে।আর তাই নয় বারবার তিনি অভিযোগ তুলেছেন শুধু আমেরিকায় নয় বিশ্বের প্রতিটি দেশে আজ করোনা মহামারীর আকার ধারণ করার জন্য দায়ী রয়েছে চীন আর যার দরুন চীনকে শাস্তি দেওয়া নিত্যান্তই জরুরী। তবে শুধু আমেরিকায় নয় এবার আমেরিকার পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের আরও কয়েকটি শক্তিধর দেশ যারাও এই ভাইরাস ছড়ানোর পেছনে প্রকৃতরূপে দায়ী করেছেন চীনকে। আর এই শক্তিধর দেশের মধ্যে নাম রয়েছে জার্মানির ও।


আর অন্যদিকে সীমান্ত নিয়ে ভারতের সাথে চীনের উত্তেজনা চলার কারণে ভারতের যে কিছু সরকারি প্রকল্প চীনের কোম্পানিকে দেওয়া হয়েছিল সেগুলিকে ইতিমধ্যে ছাঁটাই করে দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয় গতকাল কেন্দ্রের তরফ থেকে একথাও ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে যে, বিএসএনএল সংস্থা 4G সার্ভিসকে উন্নত করে তোলার পেছনে কোনরকম চীনা দ্রব্য ব্যবহার করবে না। যার ফলে অনেকখানি চাপে পড়েছে বিজিং। তবে আরো একটি খবর বেরিয়ে আসছে যেখানে জানা যাচ্ছে ভারত পাকিস্তানের মতোই চীনের পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়াতে পারে আগামী দিনে। বলাবাহুল্য ভারত সরকার যদি এরকম এক বড় পদক্ষেপ নিতে পারে তাহলে চীনের সমস্যা আরও দ্বিগুণ পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে।

By The India Desk

Indian famous bengali portal, covers the breaking news, trending news, and many more. Email: [email protected]