সত্যি মুকেশ আম্বানির মতো ভাই যেন ভগবান সবাইকে দেয়। লড়াই করে আলাদা হয়ে যাওয়া ভাই কেউ বরবাদ হওয়া থেকে বাঁচালেন…..

কেউ এই কথাটা ঠিকই বলেছেন ভাই এর চেয়ে বড় কোনো বন্ধু নেই আর ভাইয়ের চেয়ে বড় কোনো সহযোগী নেই আর এর উদাহরণ আমাদের প্রাচীন গ্রন্থ গুলিতে পেয়েছি।কিন্তু আজকে বর্তমানের কথা যদি বলা হয় তো আমাদের ভারতের সবচেয়ে ধনী উদ্যোগপতি মুকেশ আম্বানি ,যার খ্যাতি সারা ভারতে ছড়িয়ে রয়েছে তিনি আজ এই কথাটির সত্যতা জানিয়ে দিলেন।এটা সবাই জানে যে মুকেশ আম্বানি এবং তার ভাই অনিল আম্বানির পিতা ধীরুভাই এর মৃত্যুর পর দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝামেলার জন্য তারা সম্পত্তি ভাগ করে নিলেন এবং তারা নিজের নিজের ব্যবসায় লেগে পড়লেন।

আলাদা হয়ে যাওয়ার পর অনিল আম্বানি রিলাইন্স মোবাইল এর অগ্রসর করলেন এবং এটা যেনো সারা দেশে মোবাইল ক্রান্তি চলে এলো,কিন্তু বড়ো ভাই মুকেশ আম্বানি Jio কে এনে এমন অবস্থার সৃষ্টি করলেন যেনো সব নেটওয়ার্ক অপারেটর যেনো হিমশিম করতে লাগলেন।জিও বাজারে আসার পর থেকে সব নেটওয়ার্ক অপারেটর কল রেট এবং রিচার্জ এর টাকা কমিয়ে দিলেন টা সত্বেও অন্যান্য নেটওয়ার্কগুলো জিওর সমান পৌঁছতে পারছে না। জিওর এই ছোঁয়া থেকে অনিল আম্বানির রিলায়েন্স কমিউনিকেশন বাঁচতে পারল না ,আস্তে আস্তে ধ্বংসের পর্যায়ে পৌঁছে গেছিল।এতে অনিল আম্বানি অনেক চিন্তা এবং ধার দেনায় ডুবে গিয়েছিলেন।

এক সংবাদ পত্রিকার মাধ্যমে জানা গেছে যে, এই ব্যাবসা টিকে বন্ধ করার মন বানিয়ে নিয়েছিল,প্রথমত এত ধার দেনার জন্য, আর ২ য় ব্যাবসা প্রায় নেট শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং তৃতীয়ত তার ধার গুলো শোধ করার মত টাকাও ছিলনা। এ ব্যাপারটি যখন মুকেশ আম্বানি জানতে পারলেন ,তিনি টাকা দিয়ে অনিল অম্বানীর কাছ থেকে পুরো ব্যবসাটি কিনে নিলেন এবং অনিল আম্বানি কে বরবাদ হওয়া থেকে বাঁচিয়ে নিলেন।
এই কাজের জন্য মুকেশ আম্বানির প্রচুর প্রশংসা হচ্ছে,
এছাড়াও অনিল আম্বানি রিলায়েন্স কোম্পানির ১৪ তম বার্ষিকী পূরণের মিটিংয়ে মুকেশ আম্বানি কে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Open

Close