ভাষণে ভুল থাকায় প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষের মুখে ফেলেছিল তৃণমূল, এবার পাল্টা বিজেপির কটাক্ষের মুখে মমতা

১৫ ই আগস্ট দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকালটা সুন্দর করে শুরু হলেও, স্বাধীনতা দিবস এর দিনেও দুই বিরোধী পক্ষ তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে দ্বন্দ্ব বেঁধে গেল। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে ভুল হয়ে যাওয়াও রীতিমত কটাক্ষের মুখে প্রধানমন্ত্রীকে ফেলে দিয়েছিল গোটা তৃণমূল বাহিনী। এদিন সকালে দিল্লীতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভাষণ দিতে গিয়ে মাতঙ্গিনি হাজরাকে তিনি অসমবাসী বলায় গোটা তৃণমূল বাহিনী প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষের মুখোমুখি ফেলে দেন।

ফিরহাদ হাকিম সহ, কুণাল ঘোষ, মদন মিত্র সহ সকলেই প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষের মুখোমুখি ফেলেন। কুণাল ঘোষ জানান, ‘বাংলার প্রতি এই অবজ্ঞার কারণে ক্ষমা চাইতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে। আশা করি বিরোধী দলনেতা, যিনি পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা, তিনিও এই ভুলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা করবেন’। এই অপমান মেনে না নিয়ে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা একটি ট্যুইট করে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর উদ্দেশ্যে ও তার পার্টির উদ্দেশ্যে লেখেন, ইতিহাস ভূগোল জানে না তৃণমূল। তাঁদের ঘোষিত খেলা হবে দিবস, লর্ড কার্জন এবং মহম্মদ আলি জিন্নার কাছে খুবই গর্বের দিন ছিল’।

এখানেই থেমে থাকেনি বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর একটি বহু পুরোনো ভুলের উদ্দেশ্য ট্যুইট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি কটাক্ষের মুখে তুলে ধরলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লিখেছেন ‘২০১৯ সালে নোবেল জয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিজিৎ বাবু বলে সম্বোধন করেছিলেন। সেক্ষেত্রে তো কই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমাপ্রার্থী হতে হয় নি’।

শুভেন্দু অধিকারীর এই ট্যুইট এর পরেই জন সাধারণের একাংশ দাবি করছেন, মুখ্যমন্ত্রী কি সব ভুলের জন্য নিজে ক্ষমা চেয়ে নেন? তবে প্রধানমন্ত্রীর বেলায় তৃণমূলের এই দাবি কেন? এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন,’ প্রধানমন্ত্রীর একটি ছোট্ট ভুলকে তৃণমূল থেকে বড্ড বেশি বড় করে দেখানো হচ্ছে’।