জেনারেলদের মাসিক ৫০০ ও বাকিদের ১০০০ টাকা পকেটমানি’র প্রতিশ্রুতি মমতার, তৃণমূলের ইস্তেহার প্রকাশ

আজ ১৭ মার্চ বুধবার পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা ভোটের ইস্তেহার জমা দেওয়া হয়। তৃণমূল সুপ্রিমো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কালীঘাটের বাড়ি থেকে এবারের ইস্তেহার প্রকাশ করলেন এক সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে। এবার দেখে নেওয়া যাক ইস্তাহারের প্রতিশ্রুতি গুলো কী কী—

১) ২০১১ সালের প্রতিশ্রুতিতে যা বলা হয়েছিল তৃণমূল সরকার সেই প্রতিশ্রুতির ১১০ শতাংশ কাজ করেছে।

২) বাংলা হল অনেক মনীষীদের জন্মভূমি তাই এটি পূর্ণভূমি।

৩) তৃণমূল সরকারের বহু কাজ বিশ্বের দরবারে এক নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে।

৪) ইউনাইটেড নেশনশে কন্যাশ্রী প্রকল্প এক নম্বরে রয়েছে।

৫) সারা দেশের মধ্যে ১০০ দিনের কাজে পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে এক নম্বরে।

৬) লকডাউনকালে যখন গোটা দেশেই ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্রতার শিকার হয়েছেন তখন আমরা পশ্চিমবাংলায় ৪০% বেকার কমাতে পেরেছি।

৭) আমরা দশ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট গড়ে তুলবো।

৮) লকডাউনে যে সমস্ত মানুষ কাজ হারিয়ে বাড়িতে ফিরে এসেছে তাদেরকে আমরা খাদ্য দিয়েছি।

৯) আমরা চাই সবাইকে নিয়ে পথে চলতে। বাংলাকে কখনো ভবিষ্যতে ভাগাভাগি হতে দেব না।

১০) রূপশ্রী, কন্যাশ্রী এবং স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প আগামী দিনেও চলবে। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পকে আরও সহজতর করে তোলা হবে।

১১) বিধবা এবং প্রতিবন্ধীদের সাহায্যের জন্য তৃণমূলের হাত সর্বদা বাড়ানোর থাকবে।

১২) জঙ্গলমহল শিল্পনগরীর জন্য ৬৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হবে।

১৩) বাংলার আবাস যোজনার আওতায় আরো ২৫ লক্ষ নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হবে।

১৪) দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের ট্যাব কেনার জন্য যে ১০ হাজার টাকাটা এবার দেওয়া হয়েছিল। আগামীদিনের পড়ুয়াদের জন্যেও তা দেওয়া হবে।

১৫) পাহাড়ি এলাকায় শান্তি বজায় রাখার জন্য স্পেশ্যাল ডেভলপমেন্ট বোর্ড গঠন হবে।

১৬) বাংলার প্রতিটি পরিবারের জন্য আয় সুনিশ্চিত করা হবে।

১৭) জেনারেল ক্যাটাগরির জন্য ন্যূনতম আয়ের মাত্রা হবে ৫০০ টাকা।

১৮) বাকিদের জন্য নূন্যতম আয়ের মাত্রা রাখা হবে ১০০০ টাকা।

১৯) কৃষকদের জন্য প্রতি মাসে ১০ হাজার করে টাকা দেওয়া হবে।

২০) পড়ুয়াদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড করা হবে। এর মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকার ঋণ পাওয়া যাবে। কোনো জামিনদারের প্রয়োজন হবে না।