আবারো একবার চরম দ্বন্দ্বের মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, বাংলায় উপনির্বাচনের সঠিক সময় এখনই নয়, কেন্দ্রকে চিঠি গেরুয়া শিবিরের

ইতিমধ্যেই দিল্লীতে শুরু হয়ে গেছে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি। দিল্লীতে ইতিমধ্যেই দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল শিবির তবে উপনির্বাচনের বিরুদ্ধে এবারে কড়া সওয়াল করছে বিরোধী দল বিজেপি। আট দফা কারণ উল্লেখ করে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছে বিজেপি।গত ২১ এর বিধানসভায় ফের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিয়মের ভিত্তিতে ফল প্রকাশের ছয় মাস এর মধ্যে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে নিজের আসনের অধিকার ধরে রাখতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে।

তবে বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে এই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি খুব একটা নেওয়া সহজ কাজ হচ্ছে না। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ভাবেই এখনও বন্ধ। এই পরিস্থিতির দোহাই দিয়েই উপনির্বাচন না করার আর্জি জানালো কেন্দ্রকে গেরুয়া শিবির। ‘রাজ্যে এখন উপনির্বাচনের পরিস্থিতি নেই’।

বিজেপির দাবি বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এই মুহূর্তে উপনির্বাচন সম্ভব নয়। এই মুহুর্তে ট্রেন চলাচল বন্ধ বাসেও একেবারে কম সংখ্যক মানুষকে নেওয়া হচ্ছে। সাথে রাজ্য সরকার শুধুমাত্র বিজেপির মিটিং মিছিল বন্ধ করে দিচ্ছে এই সমস্ত বিধিনিষেধ এর দোহাই দিয়ে।এই নিয়ে তাদের দলের দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল শুধুমাত্র জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের পরিপ্রেক্ষিতে। সাথে সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসে পুজোর প্রস্তুতির সাথে করোনা তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশংকা রয়েছে তার মধ্যে কোনভাবেই উপনির্বাচন সম্ভব নয়।

এদিকে তৃণমূলের দাবি গণতান্ত্রিক অধিকার সুনিশ্চিত করতে উপনির্বাচনই হল একমাত্র পথ। তাই উপনির্বাচনের পক্ষে রায় দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বিজেপির দাবি বর্তমান পরিস্থিতিতে তৃণমূল সংখ্যা গরিষ্ঠতায় এগিয়ে অনেকটাই তাই এই মুহুর্তে উপনির্বাচন না হলেও এমন কোন ক্ষতি হবে না। শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই করোনা আবহে উপনির্বাচনের সঠিক সময় এটি নয়।