আজকের দিনে ঝাঁসির রানী বলা হয় এই আইপিএস মহিলাকে, তিনি মুখ্যমন্ত্রী কে পর্যন্ত গ্রেফতার করে নিয়েছিলেন।

আজকের দিনে ঝাঁসির রানী বলা হয় এই আইপিএস মহিলাকে, তিনি মুখ্যমন্ত্রী কে পর্যন্ত গ্রেফতার করে নিয়েছিলেন। ভারতে অনেক মহিলাদের একটি আলাদায় রুচি রয়েছে ।মহিলারা পরাধীন ভারতকে স্বাধীন করার জন্য সর্বদা এগিয়ে এসেছিলেন ।আপনারা ঝাঁসির রানী লক্ষী বাইকে তো নিশ্চই জানবেন , তিনি নির্ভয় হয়ে ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধ করেন কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যুদ্ধে তিনি নির্মম ভাবে শহীদ হন।আজ আমরা আপনাদের এমনই একজন মহিলা পুলিশ কর্মীকে নিয়ে কথা বলবো যাকে রাজনৈতিক দলও ভয় পায়, তো আসুন আমরা আপনাদের জানাই তার সম্মন্ধে।

সাহসী আইপিএস অফিসারটির নাম ডি.রূপা ,ইনি খুবই শক্ত অফিসার। ইনি যেখানে থাকেন সেখানকার গুন্ডা ও রাজনৈতিক নেতাদের ওপর অঙ্কুশ লেগে যায়। ডি.রূপা সোশ্যাল মিডয়াতে সর্বদা এক্টিভ থাকেন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে সামাজিক কথা নিয়ে ভেবেচিন্তে সর্বদা নিজের বক্তব্য রাখেন। কারণ, যেখানেই তিনি যান সেখানকার সত্তা কে তিনি হিলিয়ে দেন। এই অফিসার কোনো খারাপ কাজ পছন্দ করেন না এবং যদি কেও খারাপ কাজ করলে তাহলে তিনি তা সহ্য করতে পারেন না। যদি কেও দেশের আইন শৃঙ্খলা ভাঙেন , তিনিও সেই ভাবে তার হাড্ডি ভেঙে দেন । এনার সম্মন্ধে এটাও বলা হয় যে এনার নাম শুনে রাজনেতারাও ভয়ে কাপেন।

ডি.রূপা এখন কর্ণাটকের ‘IG’ পদে আছেন এবং এর আগে তিনি ‘ DIG’ এর পদে ছিলেন। ললিতার খুব কাছের লোক নেত্রী শশীকলা জেলে একলাই দেখা করতে গেলেন , কারণ ২০০৪ এ বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ” উমা ভারতীর” নামে আরেস্ট ওয়ারেন্ট বের হওয়াই, তিনি একলাই তাকে অ্যারেস্ট করার জন্য বেরিয়ে পড়েন এবং সেই সময় এ “উমা ভারতী” মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন।ওয়ারেন্ট বেড়ানোই তিনি মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেন এবং অ্যারেস্ট হয়ে যান।

এই খবরটি সোশ্যাল মিডিয়াতে পুরো ছেয়ে যাওয়ার পর থেকে সব নেতারা তাকে ভয় করেন এবং তার কাছে গুন্ডা গীরির রাজ একবারই চলেনা।