কাটমানির টাকা ফেরত পেতে, তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ি ফেরা করলেন খোদ তৃণমূল সমর্থকরাই..

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশা অনুরূপ না হওয়ায় দলকে ফের এক সুতোয় বাঁধতে শুরু করেছেন এই তৃণমূল নেত্রী। ইতিমধ্যেই দলের বিভিন্ন বিধায়ক ও সাংসদ দের বার্তা দিয়েছেন তিনি।গত সোমবার দিন কলকাতার নজরুল মঞ্চে পৌরসভার প্রতিনিধি ও পৌর প্রধানের সঙ্গে এক বৈঠকে বেঁধে দিয়েছিলেন আগামী দিনের রূপরেখা।
এই দিন তিনি বিভিন্ন কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে বলেন যদি কোন কাউন্সিলর কোন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে থাকে তাহলে সে টাকা যেন তারা ফিরিয়ে দিয়ে দেয়।

এই দিন তিনি দলীয় বৈঠকে বলেন কিছু কাউন্সিলারদের জন্য আমরা আজ এত বদনাম।এই দিন তিনি অভিযোগ করে বলেন কিছু কাউন্সিলার সরকারি জমি পরিবারের নামে করিয়ে নিচ্ছেন।তাছাড়া তিনি বলেন কেউ যদি ভেবে থাকে যে চুরি করে দলবদল করে বেঁচে যাবেন তাহলে সেটা ভুল ধারণা তাদের। এই বিষয়ে কেউ পার পাবে না। আর দলনেত্রী এমন নির্দেশ পাওয়ার পরেই আজ তোলা বাজির টাকা উদ্ধার করতে ঘেরা করা হলো তৃণমূল পঞ্চায়েতের সদস্য এর বাড়ি।

এতে বাদ গেলেন না তৃণমূলের স্থানীয় বুথ সভাপতি ও।তবে এক্ষেত্রে বিরোধী দলের লোকেরা নয় নিজেদের দলীয় পঞ্চায়েতের সদস্যের বাড়ি ঘেরা করলেন তৃণমূল সমর্থকরাই। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় বীরভূমের শ্রীচন্দ্রপুর গ্ৰামে।তার পরদিন সকালে তৃণমূল পঞ্চায়েতের সদস্য উত্তম বাউরী এর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো থাকেন ইলামবাজারে শ্রী চন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দারা।এই গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ সরকারি প্রকল্পের টাকা পাইয়ে দেবার জন্য একাধিক টাকার কাটমানি নিয়েছিলেন এই তৃণমূল পঞ্চায়েতের সদস্য। ঘেরাও হয় স্থানীয় তৃণমূল বুথ সভাপতি রাজীব আকুড়ের বাড়িও।

গ্রামবাসীদের একটাই কথা, ‘আজ টাকা ছাড়িয়ে নিয়ে তবে যাব।’ আর এই ঘটনার জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সেই এলাকায়। পরে সেখানে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী।