ক্রমশ চড়ছে তাপমাত্রার পারদ, আজ থেকে একাধিক জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস! তালিকায় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা

আবহাওয়া খবর

সরস্বতী পুজোর দিন সকাল থেকে বসন্তের রোদ ঝলমল করেনি৷  আকাশের মুখ ছিল বেশ বিষাদমাখা। এদিন সকালে ন্যূনতম তাপমাত্রা (temperature) কমেছে সারা রাজ্য জুড়ে। সোমবার কলকাতার ন্যূনতম তাপমাত্রা ছিল ২০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর কাছাকাছি। মঙ্গলবার ফের তাপমাত্রা  কমে হয়েছে ১৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী দুদিন গোটা রাজ্যে   বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে  (rain) জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর  (weather office)।

 

জানা যাচ্ছে, হিমালয়ে একটি ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে৷ এর জেরে আগামী কয়েকদিন এর জন্য বিচ্ছিন্ন ভাবে তুষারপাত ও বৃষ্টিপাত হতে পারে৷ বুধবার সেই সম্ভাবনা প্রবল৷ অরুণাচল প্রদেশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানা গেছে।  পশ্চিম হিমালয় অঞ্চলে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রভাব বিস্তার করবে৷ অন্য একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায়। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢোকার ফলে মধ্যপ্রদেশ, বিদর্ভ, ছত্তিশগড়ে ১৬-১৭ ফেব্রুয়ারি এবং মধ্য মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানা, উত্তর কর্নাটকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারি।

আবহাওয়া খবর

আগামী ২৪ ঘন্টায় দার্জিলিং ও কালিম্পং-এ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তার পরের দিন  দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে বৃষ্টি হতে পারে জনিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর৷ আগামী ৩-৪ দিন হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গে রাতের তাপমাত্রার কোনও পরিবর্তন হবে না।

অন্যদিকে আগামী ২৪ ঘন্টায় পশ্চিমের জেলাগুলিতে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বর্ধমানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। রাতের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না। তবে হাল্কা থেকে মাঝারি কুয়াশা  থাকতে পারে  উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, এবং  কলকাতায়।

আবহাওয়া খবর

এখন বাড়িতে বসে খুব সহজেই করে নিন Voter ID এর সাথে Mobile Number লিঙ্ক, সহজ পদ্ধতি জানতে

উল্লেখ্য, চলতি মাস অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শুরুতেই একেবারে স্বমহিমায় দেখা গিয়েছিল এবারে শীতকে। আর বিগত ১০ বছরে এটাই ছিল শীতলতম ফেব্রুয়ারি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের এক অধিকর্তা জানান, এই পরিস্থিতি বিরল, কিন্তু আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও জমিয়ে শীত উপভোগ করেছিলেন বাংলার মানুষ।

উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা( ডিগ্রি সেলসিয়াস)আগের দিনের তাপমাত্রা বন্ধনীর মধ্যে

আসানসোল ১৪.৩ (১৪.৬)

বালুরঘাট ১১.৪ (১১.৩)

ক্যানিং ১৯.৪ (১৮.৪)

কোচবিহার ১১.৬ ( ১২.৭)

দার্জিলিং ৫.২ (৭৬)

দিঘা ১৯ (২০.৫)

কলকাতা ১৮.৮ ( ২০.৮)

মালদহ ১৬.৪ (১৭ )

বাঁকুড়া ১৪.৮ (১৬)

ব্যারাকপুর ১৪.৮ (১৮.৩)

বহরমপুর ১২.৮ (১৬)

বর্ধমান ১৬ (১৭.৬)

পানাগড় ১২.২ (১৪.৩)

পুরুলিয়া ১৩.১ (১২.৫)

শিলিগুড়ি ১১.৮ (১২.১)

শ্রীনিকেতন ১৩.২ (১৬.১)