হোমিওপ্যাথিতেই হার মানল করোনা, দেশে এই প্রথম একসঙ্গে সুস্থ হলেন তিনজন…

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও এখন কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে গোটা বিশ্ব। আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও হয়তো এটতা মর্মান্তিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি যতটা এই মরন ভাইরাস COVID-19 এর জেরে এখন গোটা বিশ্বে সৃষ্টি হয়েছে। একপ্রকার এই মরণ ভাইরাসের জেরে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি ধসে পড়েছে। এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে এই মরন ভাইরাস COVID-19 এর জেরে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে 55 লাখের ও বেশি, আর এই মরণ ভাইরাসে জেরে মারা গিয়েছে গোটা বিশ্ব জুড়ে প্রায় 3.5 লক্ষ মানুষ।

ভারতের মতো দেশেও বাদ যাইনি এই মরণ ভাইরাসের প্রকোপের হাত থেকে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে 1,31876 জন, যাদের মধ্যে এই করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঘটেছে ভারতে 3868 জনের। আর গত 24 ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভারতে মৃত্যু হয়েছে 147 জনের। অন্যদিকে এই মরণ ভাইরাস করোনা সংক্রমিত হওয়ার পরও প্রায় 54,500 জনের মতোন মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বিশ্বের সকল বৈজ্ঞানিকরা এখন দিন-রাত এক করে উঠে পড়ে লেগেছে এই মরণ ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করতে।

আর এরই মধ্যে এক সুখবর প্রকাশ্যে বেরিয়ে এলো যেখানে জানতে পারে যাচ্ছে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার দরুন সুস্থ হয়ে উঠেছে করোনা আক্রান্ত রোগী, তবে একজন নয় একসঙ্গে পরপর তিন জন।দেশে এই প্রথম বার হবে যখন করোনা আক্রান্ত রোগীর উপরে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা প্রয়োগ করে সাফল্য লাভ করলো মধ্যপ্রদেশের ভোপাল। চলতি মাসের 13 ই মে তারিখে হালকা করোনা উপসর্গ নিয়ে ভোপালের এক সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হসপিটালে তিন জন রোগী ভর্তি হয়েছিল যাদের পরবর্তীকালে করোনা পরীক্ষার পর রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

তারপর সেই হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল এ দশ দিন তাদেরকে চিকিৎসাধীন রাখার পর আবারো পরীক্ষা করা হয় তাদের নমুনা, তবে এবার তাদের পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসে,যার ফলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী এই তিনজনকে আপাতত ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে যে চিকিৎসক ওই রোগীদের সুস্থ করে তুলেছেন তাঁর দাবি একেবারে প্রাথমিক স্তরে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা প্রয়োগ করার ফলে সুফল মিলেছে তাদের। এই চিকিৎসকের দাবি মৃদু উপসর্গ দেখতে পাওয়া সময় রোগীদের ক্ষেত্রে যদি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন এর বদলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে সুফল মিলবে।

তবে শুধু তাই নয় যে চারটি ওষুধ প্রয়োগ করে এই করোনা রোগীদের সুস্থ করা হয়েছে সে 4 টি ওষুধের নামও সেই চিকিৎসক জানিয়ে দিয়েছেন, যেগুলি হল Arsenic album 200, Bryonia alba 200, Pulsatilla 30 ও Kali Carb 200 । আর এক্ষেত্রে যে তিন জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাদের বয়স যথাক্রমে 45, 50 ও 27 বছর। যাদের মধ্যে রয়েছে দুজন পুরুষ ও একজন মহিলা।

Related Articles

Close