আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলাতে ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টির সম্ভাবনা, জারি সর্তকতা

শুক্রবারও রাজ্য জুড়ে তাপমাত্রা (temperature) ঊর্ধ্বমুখী। বৃহস্পতিবার কলকাতার ন্যূনতম তাপমাত্রা ছিল ১৫. ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর কাছাকাছি৷  শুক্রবার তা বেড়ে  ১৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে৷ সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাবে জানিয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর। কিন্তু তার আগেই তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রিতে পৌঁছে গেল। পশ্চিম কিংবা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির তাপমাত্রা এখনও খানিকটা নিম্নমুখী৷

উত্তর ভারতে রয়েছে ঘন কুয়াশা৷ এর ফলে দিল্লিতে যাওয়া কিংবা দিল্লি থেকে আসা বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিঘ্ন ঘটেছে উত্তর ভারতের বাকি বিমানবন্দরগুলি থেকে বিমান চলাচলেও। অন্যদিকে বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন এলাকার ওপরে বিরাজমান  ঘূর্ণাবর্ত।  যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১.৫ কিমি ওপর পর্যন্ত বিস্তৃত ।

আগামী ২৪ ঘন্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং-এ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া মোটামুটি শুকনো থাকবে। তবে হাল্কা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গে আগামী কয়েকদিন রাতের তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তন হবে না৷

আগামী ৪৮ ঘন্টায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। রাতের তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।হাল্কা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে  উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায়।কুয়াশা মুক্ত জেলাগুলি হল পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান,বাঁকুড়া বীরভূম।
সাধারণভাবে মধ্য ফেব্রুয়ারিতে ন্যূনতম তাপমাত্রা ১৭-১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।  এটাই স্বাভাবিক, জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

চাপ বাড়ল একাধিক চীনা সংস্থার! Micromax ভারতে আনছে তাদের 5G স্মার্টফোন

উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা( ডিগ্রি সেলসিয়াস)আগের দিনের তাপমাত্রা বন্ধনীর ভেতর দেওয়া হল৷
আসানসোল ১৪ (১৩.৭ )
বালুরঘাট ১৪ (১০.৪)
বাঁকুড়া ১৪.৫ (১৪.১)

ক্যানিং ১৭ (১৪)
কোচবিহার ১০.৭ ( ১১.৩)
দার্জিলিং ৭ (৫)
দিঘা ১৭.১ ( ১৬.৪ )
কলকাতা ১৮.১ ( ১৫.৫)
মালদহ ১৬.৫ ( ১৫.৭ )
ব্যারাকপুর ১৩.৫ ( ১২.৫)
বহরমপুর ১৩.৪ (১৪ )


বর্ধমান ১৬.২ (১৪.৪)
পানাগড় ১১.৬ (১১.৬)
পুরুলিয়া ১২.১ (১২.১)
শিলিগুড়ি ১১.৪ (৭.৭ )
শ্রীনিকেতন ১৩.১ (১৩.৪)