নতুন খবরবিনোদনBangla News

মুম্বাই থেকে ৮৫ কিলোমিটার দূরে ধর্মেন্দ্র চাষের জমিতে করছেন এই কাজ, কারণ জেনে আপনিও….

আজ আপনাদের সাথে এমন একজন মানুষের ব্যাপারে আলোচনা করতে চলেছি যিনি ২০১৮ সালের ৮ ই ডিসেম্বর নিজের ৮৩ তম জন্মদিন পালন করে ফেললেন। তিনি আর কেউ নন তিনি হলেন আমাদের সকলের প্রিয় বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। আপনার সকলে এটা নিশ্চয়ই জানেন যে এক সময় এই ধর্মেন্দ্র বলিউডের দাপিয়ে বেড়িয়েছেন, তিনি তার অভিনয় দিয়ে মুগ্ধ করেছেন সমগ্র দেশবাসীকে। আপনাদের জানিয়ে রাখি কিছুদিন আগে এই ধর্মেন্দ্রকে এই বয়সে এসেও অর্থাৎ ৮৩ বছর বয়সে এসেও মাঠে চাষের কাজ করতে দেখা গিয়েছে। কিছুদিন আগে ধর্মেন্দ্র নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে একটা ভিডিও শেয়ার করেছিলেন সেখানে দেখা গিয়েছিল যে একটা ফার্ম হাউসে গিয়ে ধর্মেন্দ্র চাষের কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, অর্থাৎ তিনি এই বয়সেও চাষের কাজ করছেন। জানা গিয়েছে যে সেই জায়গাটি মুম্বাই থেকে ৮৩ কি.মি দূরে অবস্থিত।

তিনি সেই ভিডিওটি শেয়ার করে সেখানে তার পরবর্তী পরিকল্পনা সম্বন্ধে সাধারণ মানুষকে কিছুটা ধারণা দিয়েছেন। এবং সেই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায় “গো এগ্রিক গো এগ্রিক।” অর্থাৎ তিনি এই ভিডিওটির মাধ্যমে দেখতে চেয়েছেন যে এই “গো এগ্রিক” সংস্থায় যে চাষবাস করা হয় সেটাই কোনো বাইরের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। সম্পূর্ণ দেশীয় সার ব্যবহার করেই এই চাষ ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে একদিকে যেমন খরচ কম হয় তেমনই অন্যদিকে উৎপাদন হওয়া ফসল শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। সরকার থেকে এই সংস্থা গুলিকে অনেক সাহায্য করা হয় চাষের কাজের জন্য।

এছাড়াও এখানে যেসমস্ত সব্জি চাষ করা হয় তাতে বেশির ভাগ গোবর সার দেওয়া হয়। যাতে এইসব সব্জি খাওয়ার পর সাধারণ মানুষের কোনো প্রকার ক্ষতি না হয়। এছাড়াও এর ফলে জমিতে যে খাদের উৎপন্ন হয় সে খাদ শাকসবজি চাষের পক্ষে খুবই উপযোগী। এছাড়াও এই সকল খাদ্য খাওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের কোনো প্রকার শারীরিক অসুবিধা হয় না। অনেক সময় জলের অভাবের জন্য চাষ করা খুব কস্টকর হয়ে দাঁড়ায় চাষিদের পক্ষে। কিন্তু এই খাদ ব্যবহার করলে জলের বেশি প্রয়োজন পড়ে না।

সেইদিক দিয়েও চাষীরা বেশ লাভবান হয়। এছাড়াও সবচেয়ে বড় কারণ যেটা সেটা হচ্ছে যে এই মুহূর্তে বাজার থেকে সার কিনতে গেলে চাষীদেরকে প্রচুর বেশি পরিমাণে টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হয় সেই সমস্ত সার। কিন্তু এই সার ব্যবহার করলে সেই সার কেনার টাকাটা বেঁচে যায় ফলে চাষিদের মুনাফা লাভের পরিমাণ টা কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পায়। আর এই জন্যই ধর্মেন্দ্র এই চাষের কাজে যোগ দিয়ে চাষীদের উধবুদ্ধ করতে চেয়েছেন।
#অগ্নিপুত্র

Related Articles

Back to top button