Categories
দেশ নতুন খবর বিশেষ লাইফ স্টাইল

রান্নার গ্যাসের মতো এবার বিদ্যুতের ভর্তুকির টাকাও পৌঁছে যাবে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে, কেন্দ্রের নতুন ভাবনা..

বিদ্যুতের ডোমেস্টিক লাইফ লাইন গ্রাহকদের মতোই এবার বাকীদেরকে একই দরে বিদ্যুতের বিল জমা দিতে হবে। কিন্তু এখানে রান্নার গ্যাসে যেমন ভর্তুকি টাকা ব্যাংকে জমা হয়ে যায় সেই রকম বিদ্যুতের বিলে যে ভর্তুকি থাকবে সেটি গ্রাহকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করে দেবে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার বিদ্যুৎ বিল 2020 -র একটি খসড়া অনুমোদন করেছে এতে বলা হয়েছে, রান্নার গ্যাসের মত বিদ্যুতের ক্ষেত্রেও মাসুলের ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার শুরু করার কথা।

ফলে প্রত্যেক গ্রাহকদের বাজারে যে বিদ্যুতের দর সেই দরেই বিল জমা দিতে হবে। আবার যারা ভর্তুকি পাওয়ার যোগ্য তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকির টাকা পৌঁছে দেবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার। এই খসড়া বিলে আরও জানানো হয়েছে, সরকার কোনরকম বন্টন সংস্থাকে ভর্তুকির টাকা দেবে না।‌ কয়েক বছর আগে গ্যাসের ক্ষেত্রে যেমন ভর্তুকির টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে ঠিক তেমনি বিদ্যুতের ক্ষেত্র হতে চলেছে খুব তাড়াতাড়ি।

গ্যাসের ক্ষেত্রে যেমন গ্রাহকদের ব্যাংক ও গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটার অফিসে গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করে সেটি জমা দিতে হয়েছিল। বিদ্যুতের ক্ষেত্রেও ঠিক একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে গ্রাহকদের। গ্রাহকদের বিদ্যুতের অফিস এবং ব্যাংকে গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করে জমা দিতে হবে। প্রসঙ্গত এ রাজ্যে সিইএসসি এলাকায় মাসে 25 ইউনিট পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা অঞ্চলে প্রতি মাসে 300 মিনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বিল ভর্তুকি দেয় রাজ্য সরকার। বর্তমানে ভর্তুকি বাবদ যে অর্থ তা সরাসরি বন্টন সংস্থাকে দেয় সরকার।

এরপর সংস্থাগুলি সেই অনুসারে কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে গ্রাহকদের ভর্তুকি সুবিধা দেয়।‌তবে বিশেষজ্ঞ দের মতে এ রাজ্যে অতটা মাশুল বাড়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কমিশন এর আগে থেকেই ক্রস সাবসিডি ধীরে ধীরে কমিয়ে এনেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের বক্তব্য,’ বর্তমানে সিইএসসি এলাকায় প্রতি ইউনিটে গড় বিদ্যুৎ মাশুল 7 টাকা 31 পয়সা। এরপর যদি ক্রস সাবসিডি উঠে যায় তাহলে প্রত্যেক বিদ্যুৎ গ্রাহককে ইউনিট প্রতি ওই পরিমাণ মাশুল দিতে হবে। কিন্তু যে সমস্ত বাড়িতে খুবই কম ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে, সেই সমস্ত বাড়িগুলিতে হয়তো দেড় বা দ্বিগুণ মাসুল বাড়বে। আর বাকি গ্রাহকদের 10 থেকে 12 শতাংশ মাসুল বাড়বে।