এবার দাবি উঠে এলো মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ভারতরত্ন সম্মান দেওয়ার জন্য।

এবার দাবি উঠে এলো ‘ভারতরত্ন’ সম্মান কে নিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ইয়ের প্রচেষ্টায় বাম শিবিরের ৩৪ বছরের রাজত্বের বিজকে উপড়ে ফেলে ক্ষমতায় আসে ‘মা মাটি মানুষের’ সরকার । আর যিনি এই সরকারের প্রধান নেতৃত্বকারী তিনি আমাদের কাছে’দিদি’ বলেই পরিচিত। তিনি আজ বিগত ৭ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের উন্নতিকরণের যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। এবার দাবি উঠে এলো মমতা বন্দোপাধ্যায়কে ভারতরত্ন পুরস্কার প্রদানের । দেশের মুখ্যমন্ত্রীকে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে সম্মানিত করার দাবি উঠে এলো দলীয় সাংসদ ‘ ইদ্রিস আলির ‘ পক্ষ থেকে।

আগে কেবলমাত্র শিল্পকলা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় এই সম্মান দেওয়া হত। কিন্তু বর্তমানে মানবের প্রচেষ্টায় যে কোন ক্ষেত্রে এই সম্মান দেওয়া হচ্ছে। বিগত সময়ে ২০১৫ সালে ভারতরত্ন সম্মানে সম্মানিত হোন শিক্ষাবিদ মদন মোহন মালব্য ও দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপায়ী। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ত্যাগ, প্রাণশক্তি , আন্দোলন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চেষ্টা ও সর্বভৌম মানুষকে নিজের কাছে নিয়ে টেনে নেওয়ার ক্ষমতার কারণেই বসিরহাটের সাংসদ দাবি তুলে ফেললেন তাঁকে ভারতরত্ন সম্মান প্রদানের। যদিও এর আগেও এ ব্যাপারে কিছু সাংসদ এই ব্যাপারে মুখ খুলেছিলেন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ২০১৫ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরেই জনস্বার্থ সেবার উদ্দেশ্যে কন্যাশ্রী প্রকল্প শুরু করেন। বর্তমানে ৬৩ টি দেশকে পিছনে ফেলে সেরা শিরোপা জিতে নেয় এই প্রকল্প। শুধু কন্যাশ্রী প্রকল্প নয় তার সাথে সাথে তিনি রূপশ্রী প্রকল্প, যুবশ্রী প্রকল্প ,আরো অন্যান্য অনেক রকমের প্রকল্পের সূচনা করেন। তার জনসেবার দরুন তিনি বাক্সে ফলস্বরূপ প্রচুর ভোটও পেয়েছেন। আগত লোকসভা ভোট , প্রতিটি দলই নিজ নিজ দল সম্প্রচারের তুঙ্গে। যেখানে গেরুয়া শিবির থাবা বসিয়েছে মা-মাটি-মানুষের সরকারের ভোটের বাক্সে। দলীয় সিবির গুলিতে শোকের ছায়া নেমে পড়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close