এবার সম্পূর্ণ Lockdown নয়, বরং দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে দ্বিতীয় দফায় কেন্দ্র নিতে চলেছে এই পরিকল্পনা..

আজ মঙ্গলবার দিন 14 ই এপ্রিল শেষ হতে চলেছে কেন্দ্র সরকারের ডাকা 21 দিনের দেশজুড়ে লকডাউনের। তবে এই মুহূর্তে বেশকিছু রাজ্য তাদের লকডাউন আগামী তিরিশে এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা করে দিয়েছেন তবে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এই লকডাউন বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে আর কিছু সময়ের অপেক্ষা তার পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সে কথা স্পষ্ট জানিয়ে দেবে কী নেওয়া হচ্ছে আগামী পদক্ষেপ দেশজুড়ে এই করোনা সংক্রমণ রুখতে।

তবে সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা যাচ্ছে যদি এই লকডাউনের সময়সীমা কে বাড়ানো হয় তাহলে এই দ্বিতীয় পর্যায়ে যে লকডাউনটি করা হবে সেটি সম্পূর্ণ লকডাউন করা হবে না কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই লকডাউনে ছাড় মিলবে এবং দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে কিছু কাজকর্ম ধাপে ধাপে চালু করা হবে এমনটাই জানতে পারা যাচ্ছে।এই বিষয়ে কেন্দ্রের এক উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তি জানিয়েছেন কোম্পানি বা কল কারখানা গুলো তে কাজকর্ম শুরু করা হতে পারে। টাউনশিপ জোনে কাজ হবে যাতে কর্মীরা কলকারখানা চত্বরেই বসবাস করতে পারেন যেমন অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি বা BHEL।এর পাশাপাশি দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো কার্গো বিমান চলাচল কে বাড়ানো হবে লোকাল ট্রেন চালু না হলেও এক্সপ্রেস ট্রেন কে ধীরে ধীরে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে নাকি সরকারে এমনটায় প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা যাচ্ছে। প্রসঙ্গত বলে রাখি দেশের এই মুহূর্তে 107 টি জেলাতে একেবারেই করোনা মুক্ত তাই দ্বিতীয় পর্যায়ের লোকজনের বেশ কিছু ক্ষেত্রে কাজ চালু হতে পারে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের এক বিবৃতি অনুযায়ী জানতে পারা গেছে বিভিন্ন রাজ্যের বণিকসভা গুলির পরামর্শ নেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে আর সেসব পরামর্শ ইতিমধ্যে পাঠানোও হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে।

তাই দ্বিতীয় লকডাউন পর্যায়ে গাড়ি, বস্ত্র, প্রতিরক্ষা, ইলেকট্রনিক জিনিস সহ একাধিক মেনুফেকচারিং ক্ষেত্রে কাজ শুরু হয়ে যাবে।এর পাশাপাশি সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে আজ অর্থাৎ সোমবার দিন থেকে অফিসের সমস্ত কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে। আর দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যে অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে নানান পরিকল্পনা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে সব মন্ত্রকের  কর্মীদের এক-তৃতীয়াংশ আপাতত অফিসে আসবেন। তবে এখন এর পাশাপাশি দেখার বিষয় রয়েছে যে ভবিষ্যতে এই করোনা পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে আরো কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে চলেছে কেন্দ্রের তরফ থেকে তা আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের মাধ্যমে পরিষ্কার হয়ে যাবে।