ভারতের এই টুকরোটি এখনো রয়েছে ব্রিটিশদের দখলে, যার জন্য প্রতি বছরের ন্যায় মাশুল গুনতে হয় কোটি টাকার…

এই মুহূর্তে ভারতবর্ষ হল একটি অত্যন্ত প্রগতিশীল দেশ। এখন সবদিক দিয়েই ভারত উন্নতি করছে। এই দেশে অনেক উন্নত ধরণের দ্রুতগতি সম্পন্ন ট্রেন চলছে, এবং অনেক গুলি বুলেট ট্রেন চালানোর জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়া দরকার সেই সব প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিয়েছে ভারত সরকার। কিন্তু আপনারা জানলে অবাক হবেন এই দেশেই রয়েছে বেশ কিছু বিচিত্র ট্রেন। এই বিচিত্র ট্রেন গুলির মধ্যে একটা হল সুকুন্তলা ট্রেন। এই ট্রেনের রয়েছে বেশ কিছু অদ্ভুত বিষয়। আসুন আপনাদের সাথে সেই নিয়েই কিছু বিস্তারিত তথ‍্য, আলোচনা করা যাক।

আপনাদের জানিয়ে রাখি সুকুন্তলা এক্সপ্রেস নামে এই ট্রেনটি ভারতের মাটিতে চললেও এর মালিকানা কিন্তু ভারতের কাছে নেই। এই ট্রেনের মালিকানা রয়েছে ব্রিটেনের একটি কোম্পানির হাতে। এবং এর জন্য ভারত সরকার কে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দিতে হয় ব্রিটেনের সেই কোম্পানিটিকে। এবং সুকুন্তলা নামে এক যাত্রী এখনও পর্যন্ত এই ট্রেনটি পরিচালনা করেন।তথ্য অনুযায়ী পাওয়া খবর থেকে এই ট্রেনে রয়েছে মাত্র ৫ টি কামড়া। এই ট্রেনের যাত্রাপথ অমরাবতী থেকে মুর্তপুর পর্যন্ত মোট ১৮৯ কিলোমিটার।এই রাস্তাতে ১৬-১৭ টি স্টেশন পরে, এবং এই যাত্রাপথের জন্য সময় নেয় ৬-৭ ঘন্টা। এই ট্রেনটি প্রথম তৈরি হয় ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার শহরে কিন্তু তখন এর ইঞ্জিন টি ছিল স্টিম ইঞ্জিন।

Advertisements

Advertisements

পরে সেটাকে ডিজেল ইঞ্জিনে রূপান্তরিত করে ভারতে চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই ট্রেনের মাধ্যমে রোজ ১০০০ এর বেশি মানুষ যাতায়াত করেন।

এই ট্রেনটি যেহেতু ভারত সরকারের আওতাভুক্ত নয় তাই এই ট্রেনটির প্রায় ৬০ বছর ধরে কোনো মেরামতির কাজ হয় নি। ফলে ট্রেনটি এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর ফলে ট্রেনটি ঘন্টায় ২০ কিলোমিটার এর বেশি গতিতে যাতায়াত করতে পারে না। ভারত সরকার অনেক দিক দিয়ে পর্যবেক্ষণ করে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ট্রেনটি কে বন্ধ করে দেয়। কিন্তু সেখানকার প্রতিদিনের যাত্রীদের অনুরোধে ফের ট্রেনটি চালু করতে হয়।