পঞ্চম ফেল ব্যক্তি বানিয়ে দিলেন 2000 কোটি টাকার কোম্পানি , দান করে দেন আয়ের বড় অংশ , জানুন কে এই মহান ব্যক্তি!

এই পৃথিবীতে এমন অনেক জনই আছে যারা তাদের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যায়নের দ্বারা বিশ্বে একটি আলাদা জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছেন এবং নিজের একটি আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন। যেমন কী একটা কথা প্রচলিত আছে যারা স্বপ্ন কে সত্যি করে তোলার ক্ষমতা রাখে, তারাই নিজের একটি আলাদা পরিচয় তৈরি করতে পারে। বড় হওয়ার স্বপ্ন প্রত্যেক ব্যক্তির মনে থাকে, কিন্তু তাতে তারাই স্বার্থক হয় যারা সেটা পূরণ করার ক্ষমতা রাখে। শুধুমাত্র তাই নয় এর সাথে লাগে কঠোর পরিশ্রমও। আর কঠোর পরিশ্রম বললেই চলবে না সাথে লাগে প্রচুর ধৈর্যেরও। তবে অনেক জনের মধ্যে দেখতে পাওয়া যায় কঠোর পরিশ্রম করেও তারা ধৈর্য রাখতে না পেরে সে কাজ টিকে ছেড়ে দেয় ফলে বৃথাই চলে যায় তাদের সেই পরিশ্রম।

বন্ধুরা আজকে আমরা এমন একজনের কথা বলবো যিনি কম পড়াশোনা করেও এই বিশ্বের মধ্যে নিজের একটি আলাদা পরিচয়ের সৃষ্টি করেছেন। আজকে আমরা যার কথা বলবো তিনি হলেন এমডিএইচ মশালার প্রতিষ্ঠাতা।আপনারা হয়তো এই মশালাটির নাম শুনেছেন দেশের প্রায় ছোট বড় সকল বাড়িতেই এই মশালাটি ব্যবহার করা হয়।এই মশালা ব্র্যান্ডটি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মসলা ব্র্যান্ডের মধ্যে অন্যতম।এই ব্র্যান্ডটি মশলা জগতের মধ্যে নিজের একটি আলাদা পরিচয়ই তৈরি করেছে। আর এটাকে এই জায়গায় পৌঁছাবার পেছনে আর কেউ নয় ধর্মপাল গুলাটিজীর হাত রয়েছে।ধর্মপাল গুলাটির বয়স 95 বছর তবে তিনি ক্লাস ফাইভ পর্যন্তই পড়াশোনা করেছেন। এত কম পড়াশোনা হওয়া সত্ত্বেও ইনি আজ কোটি কোটি টাকার মালিক। এটা শুনে আপনার আশ্চর্য হবেন তিনি শুধু মাত্র 500 টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করেছিলেন আজ তিনি দুই হাজার কোটি টাকার কোম্পানির মালিক।

ইনি এমন এক CEO যিনি ক্ষুদ্র বাজারে সবথেকে বেশি স্যালারি পান। গত আগের বছর ইনি 25 কোটি টাকা বেতন নিয়েছিলেন। ইনি নিজের ব্র্যান্ডের মসলার সর্বনিম্ন দাম রেখে বিদেশী ব্যান্ডের কোম্পানি গুলিকে পরাজিত করেছেন। এছাড়াও তিনি মনের দিক থেকে খুবই একজন ভালো মানুষ, যিনি তাঁর রোজগারের একটা বড়ো অংশ চ্যারিটির মধ্যে দান করে থাকেন।