নতুন খবরবিশেষ

ইনি হলেন ভারতের সেই আইপিএস যিনি প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি ক্রেনে করে উপরে উঠিয়ে দিয়েছিলেন, এমনকি চালান পর্যন্ত কেটেছিলেন।

আপনারা কিরন বেদীর সম্মন্ধে অবশ্যই শুনেছেন, তিনি এমন একজন পুলিশ অফিসার যাকে দেশের নেতা থেকে শুরু করে গুন্ডারাও পর্যন্ত সকলেই ভঁয় পায়।আজ আমরা আপনাদের তার সম্মন্ধে জানাবো।আপনাদের জানিয়ে দি ১৯৮২ তে কিরন বেদী দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ পদে নিয়োগ ছিলেন। একবার তিনি নিজেই বলেছিলেন যে ,তাকে সবাই ক্রেন বেদী বলে ডাকতেন। এর কারণ স্বরূপ তিনি বললেন,শহরে তিনি অনেকগুলো ক্রেন ছেড়ে ছিলেন এবং অনেকগুলো গাড়িকে ক্রেন দ্বারা প্রায়ই তুলে নিয়ে যাওয়া হতো এইজন্য তাকে অনেকে ক্রেন বেদী বলেও ডাকতেন।


কেবলমাত্র যারা ট্রাফিক নিয়ম অমান্য করতো, একমাত্র তাদের গাড়ি গুলোকেই ক্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হতো।একবার সোনিয়া গান্ধীর স্বামী রাজিব গান্ধী ম্যাচ দেখার জন্য স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন এবং সেখানে পৌঁছে তারা পার্কিং যোন এর নিয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। ১৬ আগস্ট ১৯৮২ সালে এর চেয়েও বড় কথা হলো যে, একবার তিনি রাউন্ড এ বেরিয়েছিলেন, সেইসময় একটি গাড়ির পার্কিংয়ের জন্য পুরো রাস্তায় ভিড় হয়েছিল তখন একটি সাব ইন্সপেক্টর ড্রাইভার টিকে বলেছিল এখান থেকে গাড়িটি কে সরাতে হবে ,গাড়িটি ভুল ভাবে পার্কিং করায় এখানে ভিড় বাড়ছে , তখন ড্রাইভারটি বলতে লাগলো , তোমরা জানোনা এটা কার গাড়ি , ইন্সপেক্টরটি জিজ্ঞাসা করেছিল কার গাড়ি?


ড্রাইভারটি তার উত্তরে বলেছিলেন আমি প্রধানমন্ত্রীর ড্রাইভার আর এই গাড়িটি তারই । তৎক্ষণাৎ পুলিশটি গাড়িটিকে সেখান থেকে সরাতে বললো। তখনি প্রধানমন্ত্রীর গাড়িটিকে ক্রেন দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তার কাছে অনেক নামকরা ব্যাক্তিদের ফোন আসা শুরু হয়ে গেলো।এই কথাটি যখন আমার কাছে পৌঁছালো তখন আমি বললাম, এই রকম অফিসার কে তো সম্মানিত করা উচিত। কিরণ বেদী ওই পুলিশটির কর্মে অনেক খুশি ছিলেন, এই সমস্ত কথাগুলি কিরণ বেদী নিজেই এক সংবাদিক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন।

শুধু তাই নয় কিরণ বেদী স্কুলের একটি সেমিনারে গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তিনি ছাত্রদের প্রশ্নের উত্তরে এইসব কথাগুলি বলেছিলেন।সেই সময় এক ছাত্রী বলে ওঠে,”মিস, আমিও আইপিএস অফিসার হতে চায় ,কিন্তু রাজনীতিকে খুব ভয় করি”। তার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ছাত্রীটিকে প্রধান মন্ত্রীর গাড়ি সম্পর্কিত তাদের একটি গল্প শোনান। এছাড়াও এটি কিরণ বেদীর প্রথমবার ছিল না এর আগেও তিনি এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

Related Articles

Back to top button